সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৫:০৭ অপরাহ্ন, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরান যুদ্ধে না জড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ায় বিক্ষোভ, হরমুজে সেনা না পাঠানোর দাবি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত থাকতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির বিক্ষোভকারীরা। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে কোনো সেনা বা সামরিক বাহিনী না পাঠানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা। বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে মার্কিন দূতাবাসের বিপরীতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা কার্যক্রমে দক্ষিণ […]

ইরান যুদ্ধে না জড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ায় বিক্ষোভ, হরমুজে সেনা না পাঠানোর দাবি

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত থাকতে দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির বিক্ষোভকারীরা। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে কোনো সেনা বা সামরিক বাহিনী না পাঠানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

বুধবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে মার্কিন দূতাবাসের বিপরীতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা কার্যক্রমে দক্ষিণ কোরিয়ার অংশগ্রহণের বিরোধিতা করেন। তাদের প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘আগ্রাসনের যুদ্ধে যোগ দেবেন না।’

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় কীভাবে দক্ষিণ কোরিয়া অবদান রাখতে পারে, তা নিয়ে দেশটির সরকার যখন বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছে, তখনই এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো। তবে দেশটির সরকার এখনো হরমুজে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়াকে সহযোগিতা করার জন্য চাপ দিয়ে আসছেন। একই সময়ে ইরান হরমুজ প্রণালিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ও সমুদ্রপথে বাণিজ্য নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

সিউলের সেজং সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের বাইরে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেন, ‘আমরা আমাদের তরুণদের মৃত্যুর সাগরে পাঠাতে পারি না!’ এএফপির হিসাবে, বিক্ষোভে প্রায় ৬০ জন অংশ নেন।

বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো ধরনের সামরিক সম্পৃক্ততা দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

তারা যুদ্ধের পরিবর্তে স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করার জন্য সিউলের প্রতি আহ্বান জানান।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার অবশ্য বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সামরিক ও অ-সামরিক বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করা হলেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্ভাব্য কোনো সামরিক মোতায়েনের ক্ষেত্রে দেশটির জাতীয় সংসদের অনুমোদনও প্রয়োজন হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ