শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ তিন দফা দাবিতে চট্টগ্রামে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নগরের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জামালখান মোড়ে গিয়ে শেষ হয় মিছিল। পরে সেখানে সমাবেশ করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। মিছিলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত […]
ছবি: সংগৃহীত
শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ তিন দফা দাবিতে চট্টগ্রামে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নগরের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জামালখান মোড়ে গিয়ে শেষ হয় মিছিল। পরে সেখানে সমাবেশ করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
মিছিলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ নেন। এ সময় তাঁরা ‘বিচার বিচার বিচার চাই, হাদি হত্যার বিচার চাই’, ‘ওসমান হাদি, বাংলাদেশের আজাদি’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’ এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’—এমন নানা স্লোগান দেন।
ইনকিলাব মঞ্চের ঘোষিত তিন দফা দাবি হলো—শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করা, গণভোটের গণরায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা।
সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে ওসমান হাদি শহীদ হয়েছেন। তাঁর হত্যার বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ সময় তিনি ভারতে আটক থাকা হাদি হত্যা মামলার দুই অভিযুক্তকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার শুধু একটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নয়, বরং দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং অতীতের গণহত্যার বিচারেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
বক্তারা আরও বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। কোনো ধরনের আশ্বাসে আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াবেন না তাঁরা। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান সংগঠনটির নেতারা।
কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের, সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিম জুমা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মারসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক