নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাসে আগুন ধরে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে আট বছরের এক শিশুও রয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোরে বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নের চাঁপাতলি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন রাজমিস্ত্রি মাইদুল (২৪), তার স্ত্রী বিউটি (২৪) এবং তাদের আট বছরের ছেলে মারুফ। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাদের […]
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাসে আগুন ধরে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে আট বছরের এক শিশুও রয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোরে বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নের চাঁপাতলি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন রাজমিস্ত্রি মাইদুল (২৪), তার স্ত্রী বিউটি (২৪) এবং তাদের আট বছরের ছেলে মারুফ। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সালাউদ্দিনের ভাড়া বাড়িতে অবৈধ গ্যাস লাইনের লিকেজ ছিল। ওই লিকেজ থেকে সারা রাত মাইদুলের ঘরে গ্যাস জমে যায়। ভোরে ঘুম থেকে উঠে মাইদুল লাইটার দিয়ে সিগারেট ধরানোর চেষ্টা করলে জমে থাকা গ্যাসে মুহূর্তের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
বিস্ফোরণে ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে যায় এবং মাইদুল, বিউটি ও তাদের শিশু সন্তান মারুফ গুরুতর দগ্ধ হন। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধ তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। মাইদুলের শরীরের ৮৫ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ এবং শিশু মারুফের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তারা সবাই আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, ঘরের ভেতরে গ্যাস জমে থাকায় লাইটার জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিকভাবে গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকেই ঘরে গ্যাস জমেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।