সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

সারাবাংলা
৬:০৮ অপরাহ্ন, ২৬ জুন ২০২৬

ছয় মাস পর খোলা হচ্ছে পাগলা মসজিদের দানবাক্স: রেকর্ড গড়ার প্রত্যাশা

দীর্ঘ ছয় মাস পর শনিবার (২৭ জুন) খুলে দেওয়া হচ্ছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৭টা থেকে মসজিদের ১৩টি সিন্দুক খোলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সবশেষ ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। সে সময় ১৩টি সিন্দুক থেকে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে মোট নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় […]

ছয় মাস পর খোলা হচ্ছে পাগলা মসজিদের দানবাক্স: রেকর্ড গড়ার প্রত্যাশা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দীর্ঘ ছয় মাস পর শনিবার (২৭ জুন) খুলে দেওয়া হচ্ছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৭টা থেকে মসজিদের ১৩টি সিন্দুক খোলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সবশেষ ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। সে সময় ১৩টি সিন্দুক থেকে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে মোট নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়া বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা এবং বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছিল।

সাধারণত তিন থেকে চার মাস অন্তর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর তা খোলা হচ্ছে। ফলে এবার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাগলা মসজিদ দীর্ঘদিন ধরেই সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে এক বিশেষ আস্থার স্থান হিসেবে পরিচিত। ভক্তদের বিশ্বাস, আন্তরিকভাবে মানত বা দান করলে মনের আশা পূরণ হয়। রোগমুক্তি, সন্তান লাভ, উচ্চশিক্ষায় সাফল্য কিংবা ব্যবসায়িক উন্নতির প্রত্যাশায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে দান করতে আসেন। নগদ অর্থের পাশাপাশি অনেকেই স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা, গবাদি পশু, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন সামগ্রী দান করে থাকেন।

ইতিহাস অনুযায়ী, প্রায় আড়াইশ বছর আগে এক আধ্যাত্মিক সাধক নরসুন্দা নদীর বুকে মাদুরে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদের স্থানে অবস্থান নেন। তার মৃত্যুর পর সমাধির পাশেই গড়ে ওঠে এই মসজিদ, যা পরবর্তীতে ‘পাগলা মসজিদ’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ এস্টেটের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে দেশের অন্যতম আলোচিত এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর দানবাক্সে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে মসজিদটিকে ঘিরে মানুষের বিশ্বাস ও আগ্রহও।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ