সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:০৬ অপরাহ্ন, ২৭ আগস্ট ২০২৬

নেপালে নিহত বেড়ে ৩৫৯, নিখোঁজদের ১৭৮ জন ভারতীয়, আমেরিকান ৬৫

হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৫টায় নেপাল পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে সীমান্তের উভয় পাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখনো প্রায় এক […]

নেপালে নিহত বেড়ে ৩৫৯, নিখোঁজদের ১৭৮ জন ভারতীয়, আমেরিকান ৬৫

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৫টায় নেপাল পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে সীমান্তের উভয় পাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

চীনের তিব্বত অংশে তিনজনের মৃত্যুর পাশাপাশি ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

নেপালের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭৮ জন ভারতীয়, ৬৫ জন মার্কিন নাগরিক এবং ৩৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া ১২৭ জন নেপালি নাগরিকেরও নিখোঁজ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। অনেক সেনা ও পুলিশ সদস্যও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, হিমবাহ ধস এবং এর সঙ্গে নেমে আসা ধ্বংসাবশেষের প্রবাহ থেকেই আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। নদীগুলোতে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জমে যাওয়ায় সামনে আরও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

দুর্যোগের ভয়াবহতা সরেজমিনে দেখতে বৃহস্পতিবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। তিনি নুয়াকোট জেলার বিদুর এবং এর আশপাশের জনপদগুলো ঘুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

এদিকে চীনের গিরং স্থলবন্দরও ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চীন ও নেপালের মধ্যে পর্যটক ও যানবাহন চলাচলের অন্যতম প্রধান সীমান্ত পারাপার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই স্থলবন্দরটি দুর্যোগের পর কার্যত বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তিব্বতের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। এর আগে বুধবার চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সর্বাত্মক উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেন।

নেপাল ও তিব্বতে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক যোগাযোগ এবং নদীপথে ধ্বংসাবশেষ জমে যাওয়ায় উদ্ধারকারীদের নানা ধরনের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কায় দুর্গত এলাকাগুলোতে সতর্কতাও বাড়ানো হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ