ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে পাঁচ গ্রামের মানুষের মধ্যে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভাঙ্গা হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম সুমন শেখ (২০)। তিনি ভাঙ্গা পৌরসভার […]
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় টর্চলাইট জ্বালিয়ে পাঁচ গ্রামের মানুষের মধ্যে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভাঙ্গা হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম সুমন শেখ (২০)। তিনি ভাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের বাসিন্দা এবং মিলন শেখের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের এবাদুলকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসামদিয়া গ্রামের ফয়সাল সর্দার ও তার সহযোগীদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসা হলেও মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের মধ্যে ফের কথাকাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে মহাসড়কের ওপর টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরে আশপাশের আরও কয়েকটি গ্রামের মানুষ এতে জড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে পাঁচ গ্রামের মানুষ অংশ নেয়।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
এদিকে গুলিবিদ্ধ সুমন শেখের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বিক্ষুব্ধ লোকজন সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে প্রায় তিন ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘ সময় ধরে মহাসড়কে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, সংঘর্ষে এক যুবকের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।