সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
৭:৪৫ অপরাহ্ন, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইঞ্জিন বন্ধ হয় মাঝপথে, তবু প্রথমবার কক্ষপথে স্পেসএক্সের স্টারশিপ

প্রথমবারের মতো কক্ষপথে পৌঁছেছে স্পেসএক্সের পরবর্তী প্রজন্মের রকেট স্টারশিপ। সোমবারের পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের মাঝপথে একটি ইঞ্জিন অপ্রত্যাশিতভাবে বন্ধ হয়ে গেলেও পরে তা পুনরায় চালু করে কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হয় মহাকাশযানটি। একই মিশনে ২৬টি নতুন প্রজন্মের স্টারলিংক স্যাটেলাইটও স্থাপন করা হয়েছে। স্পেসএক্সের স্টারবেস কমপ্লেক্স থেকে মেক্সিকো উপসাগরের উপকূল দিয়ে স্টারশিপটি উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রায় ৪০ তলা উচ্চতার […]

ইঞ্জিন বন্ধ হয় মাঝপথে, তবু প্রথমবার কক্ষপথে স্পেসএক্সের স্টারশিপ

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

প্রথমবারের মতো কক্ষপথে পৌঁছেছে স্পেসএক্সের পরবর্তী প্রজন্মের রকেট স্টারশিপ। সোমবারের পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের মাঝপথে একটি ইঞ্জিন অপ্রত্যাশিতভাবে বন্ধ হয়ে গেলেও পরে তা পুনরায় চালু করে কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হয় মহাকাশযানটি। একই মিশনে ২৬টি নতুন প্রজন্মের স্টারলিংক স্যাটেলাইটও স্থাপন করা হয়েছে।

স্পেসএক্সের স্টারবেস কমপ্লেক্স থেকে মেক্সিকো উপসাগরের উপকূল দিয়ে স্টারশিপটি উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রায় ৪০ তলা উচ্চতার এই যানটি একটি সুপার হেভি বুস্টারের ওপর বসানো মূল স্টারশিপ মহাকাশযান নিয়ে গঠিত।

মিশনটি ১০ ঘণ্টা চলার কথা থাকলেও ইঞ্জিন সমস্যার কারণে প্রায় তিন ঘণ্টা পরই তা শেষ করা হয়। ২০২৩ সালে পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন শুরুর পর এটি স্টারশিপের ১৪তম উড্ডয়ন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ মহাকাশযানটিকে নিয়মিত ব্যবহারের উপযোগী করার পরিকল্পনা রয়েছে স্পেসএক্সের।

উড্ডয়নের পর সুপার হেভি বুস্টার স্টারশিপকে মহাকাশে পাঠিয়ে ফিরে আসে এবং মেক্সিকো উপসাগরের পানিতে নিয়ন্ত্রিতভাবে অবতরণ করে। তবে অবতরণের সময় বুস্টারটির কয়েকটি ইঞ্জিনও বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছে স্পেসএক্স।

এদিকে মহাকাশে পৌঁছানোর পর স্টারশিপের তিনটি প্রধান ইঞ্জিনের একটি নির্ধারিত সময়ের আগেই বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রথমে স্পেসএক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্টারশিপের কক্ষপথে পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে। পরে প্রকৌশলীরা ইঞ্জিনটি পুনরায় চালু করতে সক্ষম হন। এরপর মহাকাশযানটি সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছে যায়।

কক্ষপথে প্রায় ২৬৯ কিলোমিটার উচ্চতায় একে একে ২৬টি নতুন প্রজন্মের স্টারলিংক স্যাটেলাইট স্থাপন করে স্টারশিপ। স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, সবগুলো স্যাটেলাইট সফলভাবে স্থাপন হয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।

স্টারশিপের জন্য কক্ষপথে পৌঁছানোকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৩ সালের পর এর আগের ১৩টি পরীক্ষামূলক উড্ডয়নই সাবঅরবিটাল পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল। প্রায় এক দশকের উন্নয়ন কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত স্টারশিপ প্রকল্পে ১৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্পেসএক্স স্টারলিংক স্যাটেলাইট দ্রুত উৎক্ষেপণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নাসার চাঁদে অভিযানেও স্টারশিপ ব্যবহার করতে চায়। নিয়মিত উৎক্ষেপণ শুরু হলে প্রতিবার ৬০টি করে উচ্চক্ষমতার ভিথ্রি স্টারলিংক স্যাটেলাইট পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব স্যাটেলাইট আগের ভিটু মিনি স্যাটেলাইটের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি ডেটা পরিবহন করতে পারবে বলে জানিয়েছে স্পেসএক্স।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ