সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

ধর্ম
৪:১২ অপরাহ্ন, ১২ আগস্ট ২০২৬

কাবা শরিফ প্রথমবার দেখে ‘আল্লাহু আকবর’ বললেন, এরপরই মৃত্যু

ওমরা পালনের ইচ্ছা প্রকাশের মাত্র চার দিনের মাথায় সৌদি আরব গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ দেখার পর ইন্তেকাল করেছেন পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের হাজি আবদুল লতিফ ওরফে বাও। বুধবার ভোরে মক্কার মসজিদুল হারামে এ ঘটনা ঘটে। আবদুল লতিফ ফয়সালাবাদের লায়লপুর কলোনির লাল মিলস চকের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বেসরকারি স্কুলগুলোতে বই সরবরাহের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা […]

কাবা শরিফ প্রথমবার দেখে ‘আল্লাহু আকবর’ বললেন, এরপরই মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ওমরা পালনের ইচ্ছা প্রকাশের মাত্র চার দিনের মাথায় সৌদি আরব গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ দেখার পর ইন্তেকাল করেছেন পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের হাজি আবদুল লতিফ ওরফে বাও। বুধবার ভোরে মক্কার মসজিদুল হারামে এ ঘটনা ঘটে।

আবদুল লতিফ ফয়সালাবাদের লায়লপুর কলোনির লাল মিলস চকের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি বেসরকারি স্কুলগুলোতে বই সরবরাহের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর মাত্র চার দিন আগে হঠাৎ ওমরা পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন আবদুল লতিফ। এরপর ছেলে আরসালানকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ওমরা ভিসার জন্য পাসপোর্ট জমা দেন। ১১ আগস্ট ফয়সালাবাদ বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হন বাবা-ছেলে।

প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বের পর রাতে বিমানটি জেদ্দায় পৌঁছায়। সেখান থেকে গাড়িতে মক্কার উদ্দেশে রওনা হন তারা।

‘যত দ্রুত সম্ভব আল্লাহর ঘরটি দেখতে চাই’

ছেলে আরসালানের ভাষ্য অনুযায়ী, জেদ্দা থেকে মক্কার পথে আবদুল লতিফ বারবার সময় দেখছিলেন। তিনি চালককে দ্রুত মক্কায় পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করছিলেন।

আরসালান জানান, তাঁর বাবা তখন বলছিলেন, ‘আমার শরীর একদম ভালো আছে। শুধু আল্লাহর ঘরটি যত দ্রুত সম্ভব দেখতে চাই।’

বুধবার ভোরে তাহাজ্জুদের সময় তারা মক্কার একটি হোটেলে পৌঁছান। সেখানে বিশ্রাম না নিয়ে দ্রুত মসজিদুল হারামে যাওয়ার জন্য ছেলেকে অনুরোধ করেন আবদুল লতিফ।

কাবা শরিফ দেখে পড়ছিলেন কালেমা ও ইস্তিগফার

আরসালানের বর্ণনা অনুযায়ী, মসজিদুল হারামে পৌঁছানোর পর তাঁর বাবার অস্থিরতা আরও বেড়ে যায়। তিনি উচ্চস্বরে কালেমা ও ইস্তিগফার পড়ছিলেন। এ সময় তাঁর শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছিল।

এরপর মাতাফে পৌঁছে প্রথমবারের মতো কাবা শরিফের দিকে তাকান আবদুল লতিফ। কাবা দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি ‘আল্লাহু আকবার’ ও ইস্তিগফার পড়তে থাকেন।

একপর্যায়ে তিনি বসে পড়েন। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

ঘটনাস্থলে থাকা নিরাপত্তাকর্মী ও চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত তাঁর কাছে ছুটে যান। তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও উদ্ধার কার্যক্রম দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ