চাঁদে আবারো মানুষ পাঠানোর ঐতিহাসিক পরিকল্পনায় এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও ইলন মাস্কের স্পেসএক্স। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট ‘স্টারশিপ’-এর ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মহাকাশে স্যাটেলাইট স্থাপন শেষে রকেটটি নির্ধারিত স্থানে নিখুঁতভাবে অবতরণ করেছে, যা ভবিষ্যৎ চন্দ্র ও মঙ্গল অভিযানের জন্য বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। […]
চাঁদে আবারো মানুষ পাঠানোর ঐতিহাসিক পরিকল্পনায় এক বড় মাইলফলক স্পর্শ করল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও ইলন মাস্কের স্পেসএক্স। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট ‘স্টারশিপ’-এর ১৩তম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মহাকাশে স্যাটেলাইট স্থাপন শেষে রকেটটি নির্ধারিত স্থানে নিখুঁতভাবে অবতরণ করেছে, যা ভবিষ্যৎ চন্দ্র ও মঙ্গল অভিযানের জন্য বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ‘স্টারবেস’ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ৪০৭ ফুট দীর্ঘ এই বিশালাকার রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি চলতি বছরে স্টারশিপের দ্বিতীয় পরীক্ষামূলক উড়ান ছিল।
উৎক্ষেপণের পর পৃথিবীর কক্ষপথের নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করে রকেটটি মহাকাশে ২০টি স্টারলিংক স্যাটেলাইট মোতায়েন করে। মিশন শেষে এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পুনঃপ্রবেশ করে ভারত মহাসাগরে সফলভাবে অবতরণ করে। স্পেসএক্স জানিয়েছে, আগের পরীক্ষায় অবতরণের সময় রকেটে আগুন ধরে গেলেও এবার তাপ নিরোধক বর্ম (হিট শিল্ড) প্রযুক্তি বেশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
স্পেসএক্সের প্রকৌশলী কেট টাইস এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, উৎক্ষেপণ করা স্যাটেলাইটের বিশেষ ক্যামেরা থেকে পাওয়া রকেটের তাপ নিরোধক ব্যবস্থার ছবি ও ডেটা ভবিষ্যতের পরীক্ষাগুলোতে দারুণভাবে সাহায্য করবে।
এদিকে এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়ে নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) স্পেসএক্স টিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই পরীক্ষার অভিজ্ঞতা নাসার বহুল প্রতীক্ষিত ‘আর্টেমিস-৩’ মিশনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
নাসার লক্ষ্য অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যে আবারও চাঁদের মাটিতে মানববাহী মহাকাশযান অবতরণ করানো হবে। সেই পরিকল্পনা এবং পরবর্তীতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর মিশনেও এই পুনর্ব্যবহারযোগ্য স্টারশিপ রকেট ব্যবহার করা হবে।
তথ্যসূত্র: স্পেসএক্স / নাসা / এক্স