নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৯২৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এএফপির। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৫৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তিব্বতের […]
ছবি: সংগৃহীত
নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৯২৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর এএফপির।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৫৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তিব্বতের নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় একই বন্যায় পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে। দুই দেশের হিসাব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৪ জনে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, বন্যায় নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৯২৪ জনে পৌঁছেছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ২০১৫ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর এটিই নেপালে সবচেয়ে বড় ও প্রাণঘাতী বিপর্যয়। পাহাড়ের ওপর বিশাল একটি হিমবাহ ধসে পাথর ও বরফের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পানি মিশে কাদা-পানির ভয়াবহ স্রোত তৈরি করায় এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি হয়।
এদিকে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকার নদ-নদী থেকে ভেসে আসা সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ধারণা, ওই ব্যক্তিরাও নেপালের ভয়াবহ বন্যার শিকার হয়েছেন। তবে তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। উদ্ধার হওয়া এসব মরদেহকে নেপালের সরকারি মৃতের সংখ্যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
বন্যার পানিতে পাহাড়ি নদীগুলোর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমও কঠিন হয়ে পড়েছে।
নিখোঁজ ও দুর্গত মানুষদের উদ্ধারে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি সেনাসদস্য ও জরুরি উদ্ধারকর্মীদের মোতায়েন করে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।
দুর্যোগের ভয়াবহতা এবং বিপুলসংখ্যক মানুষের নিখোঁজ থাকার কারণে উদ্ধারকাজ আরও কয়েক দিন ধরে চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।