মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক আঞ্চলিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে এবং এর ফলে এ অঞ্চলে বিদেশি শক্তির প্রভাব ধীরে ধীরে কমে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তার দাবি, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এখন মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ এসব কথা বলেন। বর্তমান […]
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক আঞ্চলিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে এবং এর ফলে এ অঞ্চলে বিদেশি শক্তির প্রভাব ধীরে ধীরে কমে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তার দাবি, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র এখন মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ এসব কথা বলেন।
বর্তমান পরিস্থিতিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলেইমানি এবং ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের শীর্ষ কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসের কথাও উল্লেখ করেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় তারা দুজন নিহত হন।
গালিবাফের ভাষ্য, তাদের আত্মত্যাগের ফলেই মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে যে নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার ভিত্তি গড়ে উঠেছে। তার মতে, আঞ্চলিক দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপও এখন দ্রুত কমছে।
ইরানি এই নেতা আরও দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ‘নদী থেকে সাগর পর্যন্ত’ আধিপত্য বিস্তারের যে পরিকল্পনা ছিল, বর্তমান বাস্তবতায় সেটিও আর বাস্তবায়নযোগ্য নয়।
গালিবাফের বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনার পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতাও আঞ্চলিক রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এর আগে আল-জাজিরাসহ বিভিন্ন প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন আঞ্চলিক সমীকরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
তবে গালিবাফের বক্তব্য মূলত ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের মূল্যায়ন। ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্য থেকে ‘সম্মানজনক বিদায়ের’ পথ খুঁজছে—এমন দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো সমর্থনমূলক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আল-জাজিরা