যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস ওমানের মানুষের আতিথেয়তা, সহনশীলতা ও উদারতার প্রশংসা করতে গিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বাণী উদ্ধৃত করেছেন। ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সম্মানে উইন্ডসর ক্যাসেলে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ বাণী পড়ে শোনান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) উইন্ডসর ক্যাসেলে সুলতান হাইথাম বিন তারিককে স্বাগত জানান রাজা তৃতীয় চার্লস। […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস ওমানের মানুষের আতিথেয়তা, সহনশীলতা ও উদারতার প্রশংসা করতে গিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বাণী উদ্ধৃত করেছেন। ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সম্মানে উইন্ডসর ক্যাসেলে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ বাণী পড়ে শোনান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) উইন্ডসর ক্যাসেলে সুলতান হাইথাম বিন তারিককে স্বাগত জানান রাজা তৃতীয় চার্লস। রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে দেওয়া বক্তব্যে তিনি ওমানের জনগণের আতিথেয়তা ও সহনশীলতার ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গেই তিনি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বাণী উল্লেখ করেন।
জাগো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সহিহ মুসলিমের ২৫৪৪ নম্বর হাদিস হিসেবে উল্লেখ করা একটি বাণী উদ্ধৃত করে রাজা চার্লস বলেন, ‘তুমি যদি ওমানের মানুষের কাছে যেতে, তারা তোমাকে গালমন্দ করত না, আঘাতও করত না।’
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহানবী (সা.) এক সাহাবিকে আরবের একটি গোত্রের কাছে ইসলাম প্রচারের জন্য পাঠিয়েছিলেন। ওই গোত্রের লোকজন তাঁকে নির্যাতন করেন। সে ঘটনার প্রেক্ষাপটে মহানবী (সা.) ওই সাহাবিকে উদ্দেশ করে এই বাণী বলেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজা তৃতীয় চার্লসের বক্তব্যে ওমানের মানুষের ঐতিহাসিক সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য ও ওমানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
সূত্র: ওমান অবজার্ভার