ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেসব আসনে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কিছু এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ না করলে জাতি কাউকে ক্ষমা করবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে […]
ছবি: সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেসব আসনে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কিছু এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ না করলে জাতি কাউকে ক্ষমা করবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটের নেতাকর্মী, সমর্থক, এজেন্ট ও ভোটারদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। অনেক জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। ব্যক্তিগতভাবে মানুষকে আক্রমণ করা হচ্ছে, যা স্পষ্টতই ফ্যাসিবাদী তৎপরতার বহিঃপ্রকাশ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে একটি নতুন নির্বাচনের পথ তৈরি হয়েছে, সেই নির্বাচনের পর যদি আবার একই ধরনের দমন-পীড়ন শুরু হয়, তাহলে তা জাতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক হবে।
তিনি আরও বলেন, যারা এসব অপকর্মে জড়িত, তাদেরই এর সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে। ইতিবাচক ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে না চাইলে কাউকে জোর করে সে পথে আনা সম্ভব নয়। তবে সহিংসতা ও সন্ত্রাস কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েছেন, যেভাবেই হোক না কেন, এ বিষয়ে তাদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। যদি তারা সরকার গঠন করেন, তবে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা তাদের প্রধান কর্তব্য হবে। কিন্তু বর্তমানে যেসব সহিংসতার আলামত দেখা যাচ্ছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এখনই এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে জামায়াতে ইসলামী প্রয়োজন অনুযায়ী কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে।