Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
১:৪৪ পিএম, ১০ জুলাই ২০২৬

অবৈধ অভিবাসন কমায় যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির দাম কমতে শুরু করেছে, দাবি জেডি ভ্যান্সের

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দাবি করেছেন, অবৈধ অভিবাসন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় দেশটিতে বাড়ির দাম ও ভাড়া কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তার মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সীমান্ত নীতির ফলে আবাসন বাজারের ওপর চাপ কমেছে এবং তরুণ মার্কিন নাগরিকদের জন্য বাড়ি কেনা তুলনামূলকভাবে সহজ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স বলেন, […]

অবৈধ অভিবাসন কমায় যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির দাম কমতে শুরু করেছে, দাবি জেডি ভ্যান্সের

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স দাবি করেছেন, অবৈধ অভিবাসন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় দেশটিতে বাড়ির দাম ও ভাড়া কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তার মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সীমান্ত নীতির ফলে আবাসন বাজারের ওপর চাপ কমেছে এবং তরুণ মার্কিন নাগরিকদের জন্য বাড়ি কেনা তুলনামূলকভাবে সহজ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভ্যান্স বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তিনি শুরু থেকেই বলে আসছিলেন যে, অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করা গেলে আবাসন বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তার ভাষায়, “অবৈধ অভিবাসীদের ঢল থামাতে পারলে বাড়ির দাম কমবে এবং পরিবার গড়তে চাওয়া তরুণ মার্কিন নাগরিকদের জন্য আবাসন আবারও সাশ্রয়ী হবে।”

ভ্যান্স আরও দাবি করেন, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) পদক্ষেপ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সীমান্ত নীতির কারণে অবৈধ সীমান্ত পারাপার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এর প্রভাব এখন আবাসন বাজারেও দেখা যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ডালাস ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের একটি গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মহানগর এলাকায় বাড়ির দামের গড় বৃদ্ধির প্রায় ৩০ শতাংশ এবং ভাড়া বৃদ্ধির প্রায় ২০ শতাংশের সঙ্গে অননুমোদিত অভিবাসনের সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

তবে গবেষণাটিতে একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, আবাসনের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে অভিবাসন একমাত্র কারণ নয়। সীমিত আবাসন সরবরাহ, স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি, নির্মাণ ব্যয়, সুদের হার এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক কারণও বাড়ির দাম ও ভাড়া বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

গবেষকরা আরও বলেন, অননুমোদিত অভিবাসীদের উপস্থিতির ফলে শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানও বেড়েছে এবং সামগ্রিকভাবে মজুরির ওপর উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাবের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তারা এটিও উল্লেখ করেছেন যে, গবেষণাটি এখনও প্রাথমিক খসড়া এবং এটি ফেডারেল রিজার্ভের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়।

এদিকে গত মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসে পাস হওয়া ২১স্ট সেঞ্চুরি রোড টু হাউজিং অ্যাক্ট-এ স্বাক্ষরের নির্ধারিত অনুষ্ঠান স্থগিত করেন। দ্বিদলীয় সমর্থনে পাস হওয়া এই বিলের লক্ষ্য ছিল আবাসনের সরবরাহ বৃদ্ধি, বাড়ির মূল্য নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা এবং বড় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলোর একক পরিবারের জন্য নির্মিত বাড়ি ব্যাপকভাবে কেনার ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা।

ট্রাম্প জানান, সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাস না হওয়া পর্যন্ত তিনি ওই বিলে স্বাক্ষর করবেন না। প্রস্তাবিত এই বিলে ভোটার নিবন্ধনের সময় নাগরিকত্বের প্রমাণ বাধ্যতামূলক করার বিধান রাখা হয়েছে।

আবাসন ব্যয়, অভিবাসন নীতি এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আবাসন সংকটের কারণ বিশ্লেষণে অভিবাসনের পাশাপাশি নির্মাণ ব্যয়, জমির স্বল্পতা, সুদের হার এবং দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ সংকটের মতো বিষয়গুলোকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ