ইরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন কোনো সমঝোতা বা চুক্তিতে না আসলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার করে মাত্র এক ঘণ্টারও কম সময়ে ইরানের অধিকাংশ বড় সেতু ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন কোনো সমঝোতা বা চুক্তিতে না আসলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, মার্কিন সামরিক শক্তি ব্যবহার করে মাত্র এক ঘণ্টারও কম সময়ে ইরানের অধিকাংশ বড় সেতু ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই হুমকি দেন। একই সময়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরুর চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “তারা যদি কোনো চুক্তিতে না আসে, তবে আমি ফিরে গিয়ে আমার অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করব। সেতুগুলোর কথা বললে, এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তাদের অধিকাংশ সেতু ধ্বংস করে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব।”
ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো দেশের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু পুনর্নির্মাণ করা সবচেয়ে কঠিন ও দীর্ঘমেয়াদি কাজ। এসব অবকাঠামো একবার ধ্বংস করা হলে তা পুনরায় গড়ে তুলতে তেহরানের বহু বছর লেগে যাবে।
তবে সামরিক অভিযানের হুমকি দিলেও সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত সুপেয় পানীয় জলের উৎসে আঘাত হানার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলোর (ডেসালিনেশন প্ল্যান্ট) কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “পানিশোধনাগারে হামলা চালালে সাধারণ নিরপরাধ মানুষের মারাত্মক ক্ষতি হবে। তাই আমি সেখানে কোনো আঘাত হানতে চাই না।”
তথ্যসূত্র: ফক্স নিউজ / সিএনএন