যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশ একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে এবং আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তেহরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। এতে করে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব নিরসনে একটি বড় […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশ একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে এবং আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তেহরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। এতে করে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব নিরসনে একটি বড় ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে এর স্বাক্ষর অনুষ্ঠান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে নিজে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন তিনি। সম্ভাব্য এই চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যার মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। তবে ট্রাম্প আশাবাদী, এই সময়সীমার আগেই চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তার মতে, চুক্তি হয়ে গেলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন পড়বে না।
তিনি আরও জানান, দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরবর্তী উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শিগগিরই অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেখানে চূড়ান্ত সমঝোতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
তবে আশাবাদের পাশাপাশি সতর্ক বার্তাও দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ এখনো কার্যকর রয়েছে এবং এটি ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। যদি কোনো কারণে আলোচনা ভেঙে যায় বা চুক্তি না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আবারও সংঘাতের দিকে গড়াতে পারে।