যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের পরিবর্তে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় পরোক্ষ আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর সামরিক অবস্থানের ঘোষণার পরই নেপথ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়। বিশেষ […]
প্রতীকী ছবি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের পরিবর্তে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় পরোক্ষ আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর সামরিক অবস্থানের ঘোষণার পরই নেপথ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়। বিশেষ করে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনায় উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলো সম্ভাব্য যুদ্ধের ঝুঁকি ও এর আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।
এরপর কূটনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদার হয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক বৈঠক ও ফোনালাপ করেন।
আল জাজিরা জানিয়েছে, সোমবার আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা একই টেবিলে বসছেন না। বরং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের প্রতিনিধিরা দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের দায়িত্ব পালন করবেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পরোক্ষ সংলাপের লক্ষ্য হলো সাম্প্রতিক উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং ভবিষ্যতে সরাসরি আলোচনার পথ তৈরি করা।
কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটি অংশের ধারণা, সামরিক হামলার হুমকি দিলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন না করায় বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান তুলনামূলক শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ফলে সম্ভাব্য আলোচনায় তেহরান কিছুটা মনস্তাত্ত্বিক সুবিধা পেতে পারে।
যদিও এখনো কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার বিস্তারিত সূচি প্রকাশ করেনি, তবু মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর সক্রিয় ভূমিকা পরিস্থিতিকে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে এগিয়ে নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা