সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
৫:০৫ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডার হ্যাক, নিরাপত্তার পাহারাদারই এখন নিরাপত্তাহীন

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সিস্টেমে সাইবার হামলা চালিয়ে বিপুলসংখ্যক বর্তমান ও সাবেক কর্মীর ব্যক্তিগত ও স্পর্শকাতর তথ্য চুরির দাবি করেছে হ্যাকার গোষ্ঠী ‘শাইনি হান্টার্স’। এতে এফবিআই কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে গোপন পরিচয়ে কাজ করা এজেন্টদের নিরাপত্তা নিয়ে। শাইনি হান্টার্সের দাবি, সোমবার এফবিআইয়ের সিস্টেমে ঢুকে তারা বিপুল পরিমাণ তথ্য চুরি করেছে। দাবি […]

এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডার হ্যাক, নিরাপত্তার পাহারাদারই এখন নিরাপত্তাহীন

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের সিস্টেমে সাইবার হামলা চালিয়ে বিপুলসংখ্যক বর্তমান ও সাবেক কর্মীর ব্যক্তিগত ও স্পর্শকাতর তথ্য চুরির দাবি করেছে হ্যাকার গোষ্ঠী ‘শাইনি হান্টার্স’। এতে এফবিআই কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে গোপন পরিচয়ে কাজ করা এজেন্টদের নিরাপত্তা নিয়ে।

শাইনি হান্টার্সের দাবি, সোমবার এফবিআইয়ের সিস্টেমে ঢুকে তারা বিপুল পরিমাণ তথ্য চুরি করেছে। দাবি পূরণ না হলে চার দিনের মধ্যে এসব তথ্য ও নথি প্রকাশের হুমকিও দিয়েছে গোষ্ঠীটি।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুরি হওয়া তথ্যের কিছু নমুনায় কর্মকর্তাদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, ব্যাজ নম্বর, পদবি এবং স্বামী বা স্ত্রীর তথ্য রয়েছে। হাজার হাজার এজেন্টের রেকর্ডের পাশাপাশি বিশেষ এজেন্টদের চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্যও চুরি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এফবিআইয়ের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এসব তথ্য ব্যবহার করে এজেন্টদের লক্ষ্য করে প্রতারণা, ফিশিং, হয়রানি কিংবা সহিংস হামলার চেষ্টা হতে পারে। পরিবারের সদস্যদেরও টার্গেট করার ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

এফবিআই বুধবার তাদের সিস্টেমে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা স্বীকার করেছে। কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তবে হামলার বিস্তারিত বিষয়ে বিবিসির প্রশ্নের জবাব দেয়নি এফবিআই।

সাবেক এফবিআই সাইবার বিভাগের উপপরিচালক সিনথিয়া কাইজার বলেন, চুরি হওয়া তথ্যের কিছু অংশ ইতোমধ্যে অনলাইন সাইবার গবেষক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে। তার মতে, একবার এসব তথ্য ডার্ক ওয়েবে ছড়িয়ে পড়লে তা দীর্ঘদিন অপব্যবহারের ঝুঁকিতে থাকে।

এ ঘটনায় জাতীয় নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এসব তথ্য ব্যবহার করে এফবিআই কর্মকর্তাদের প্রভাবিত বা লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শাইনি হান্টার্স এবার অর্থ দাবি করেনি। বরং মে মাসে এফবিআই প্রকাশিত একটি পরামর্শমূলক নোট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে গোষ্ঠীটি। হুমকি অনুযায়ী তথ্য প্রকাশ করা হলে পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যেও উদ্বেগ রয়েছে।

এর আগে রকস্টার গেমস ও শিক্ষাবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ক্যানভাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিমূলক সাইবার হামলার সঙ্গে শাইনি হান্টার্সের নাম জড়িয়েছে। এফবিআই এখন হামলার উৎস ও চুরি হওয়া তথ্যের পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চালাচ্ছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ