ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রদর্শিত বিরল অ্যালবিনো প্রজাতির সাদা মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-কে সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাণীটির সংরক্ষণ, গবেষণা এবং প্রজনন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার। তিনি জানান, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাদা মহিষটিকে […]
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানায় প্রদর্শিত বিরল অ্যালবিনো প্রজাতির সাদা মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-কে সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাণীটির সংরক্ষণ, গবেষণা এবং প্রজনন কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার। তিনি জানান, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাদা মহিষটিকে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে।
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের মতে, বিরল এই প্রাণীটির জিনগত বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ গবেষণার স্বার্থে বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর প্রয়োজন ছিল। বিএলআরআইতে প্রাণীটির ওপর গবেষণা পরিচালনার পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রজনন কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হবে।
সাদা মহিষটি অল্প সময়ের মধ্যেই জাতীয় চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণে পরিণত হয়েছিল। এর বিরল অ্যালবিনো বৈশিষ্ট্য এবং ব্যতিক্রমী নামের কারণে দর্শনার্থীদের মধ্যে প্রাণীটিকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।
এর আগে কোরবানির ঈদ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারে থাকা এই সাদা মহিষটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। মহিষটির মাথার সামনের অংশের বিশেষ ধরনের চুলের বিন্যাস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চুলের সঙ্গে মিল থাকায় খামার মালিক এর নাম রাখেন ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।
পরবর্তীতে প্রাণীটিকে কোরবানি না দিয়ে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত ২৭ মে মহিষটিকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় আনা হয়। সেখানে প্রদর্শনের পর এটি দ্রুত দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
সর্বশেষ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিরল এই সাদা মহিষটি এখন থেকে সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে সংরক্ষিত থাকবে, যেখানে এর ওপর গবেষণা ও সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।