রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় মিরপুর ১০ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। বিক্ষোভের সময় পুরো এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনকারীরা ‘জাস্টিস […]
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় মিরপুর ১০ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।
বিক্ষোভের সময় পুরো এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনকারীরা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। অনেকের হাতে ছিল প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দেশে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণেই এ ধরনের ভয়াবহ অপরাধ বারবার ঘটছে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কয়েকজন বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকর করতে হবে।
এর আগে সকালেও একদল এলাকাবাসী পল্লবী থানায় গিয়ে প্রতিবাদ জানান। তারা মামলার অগ্রগতি জানতে চান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তোলেন। পুলিশ তাদের আশ্বস্ত করে জানায়, তদন্ত দ্রুত এগিয়ে চলছে।
গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুর-১১ নম্বরের একটি আবাসিক ভবন থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, শিশুটিকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় শোক, আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের আশা, দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ কমে আসবে।