রাজধানীর কল্যাণপুরের বহুল আলোচিত ‘জাহাজবাড়ি হত্যাকাণ্ড’কে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচার চেয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ আবেদন উপস্থাপন করা হয়। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং […]
ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর কল্যাণপুরের বহুল আলোচিত ‘জাহাজবাড়ি হত্যাকাণ্ড’কে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচার চেয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আবেদন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন।
মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ আবেদন উপস্থাপন করা হয়। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামীম। শুনানিতে তিনি মামলার অভিযোগসমূহ আদালতের সামনে তুলে ধরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (চার্জ) গঠনের আবেদন জানান।
পরে আসামিপক্ষ শুনানির জন্য সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল আগামী ২ আগস্ট পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।
মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি—সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
এ মামলার অন্য পলাতক আসামিরা হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ডিএমপির তৎকালীন অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, তৎকালীন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিএমপির তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায় এবং তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, রাজধানীর কল্যাণপুরের জাহাজবাড়িতে ‘জঙ্গি অভিযান’ নামে পরিচালিত অভিযানে নয়জন তরুণকে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছিল এবং এটি মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় বিচারযোগ্য।
আগামী ২ আগস্ট আসামিপক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের বিষয়ে পরবর্তী আদেশ দেবেন।