Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বাংলাদেশ
১:০১ পিএম, ৩০ মে ২০২৬

জুলাই আন্দোলনের কর্মীকে হুমকির অভিযোগ, রাষ্ট্রপতির ছেলেকে ঘিরে বিতর্ক

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন–এর ছেলে আরশাদ আদনান–এর বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের কর্মী ও নির্মাতা মাবরুর রশিদ বান্নাহ–কে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি সামনে আনেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট কামাল উদ্দিন খান। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে কামাল উদ্দিন খান দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে মাবরুর রশিদ বান্নাহকে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, […]

জুলাই আন্দোলনের কর্মীকে হুমকির অভিযোগ, রাষ্ট্রপতির ছেলেকে ঘিরে বিতর্ক

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন–এর ছেলে আরশাদ আদনান–এর বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের কর্মী ও নির্মাতা মাবরুর রশিদ বান্নাহ–কে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি সামনে আনেন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট কামাল উদ্দিন খান।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে কামাল উদ্দিন খান দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে মাবরুর রশিদ বান্নাহকে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কী ধরনের রাজনৈতিক প্রশ্রয় পেলে এমন হুমকি দেওয়া সম্ভব হয়।

নিজের পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগ করার পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিষয়ে তালিকা তৈরির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারেন। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, বিশেষ করে আন্দোলনের পক্ষের ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

কামাল উদ্দিন খান তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, জুলাই আন্দোলনের সমর্থকদের পরিচয় রাজনৈতিক দলভিত্তিক নয়; বরং তারা সবাই একই আন্দোলনের পক্ষের মানুষ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে হুমকি বা সহিংসতার আশঙ্কা সবার জন্য সমান।

তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে সতর্কবার্তাও দেন। তার মতে, আন্দোলনের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হলে ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার এবং আন্দোলনের কর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার দাবি জানান।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে আরশাদ আদনান বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের স্বাধীন যাচাইও প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ