জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, রাষ্ট্র যদি এ ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণে অর্থায়ন না করে, তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এমনকি প্রয়োজনে নিজের গাড়ি বিক্রি বা রক্ত বিক্রি করেও অর্থ দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি। শনিবার রাজধানীতে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন […]
ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, রাষ্ট্র যদি এ ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণে অর্থায়ন না করে, তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এমনকি প্রয়োজনে নিজের গাড়ি বিক্রি বা রক্ত বিক্রি করেও অর্থ দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
শনিবার রাজধানীতে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন আয়োজিত একটি বিশেষ অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, “রাষ্ট্র যদি জুলাই নিয়ে সিনেমা বানানোর জন্য ফান্ড না দেয়, তাহলে আমি নিজের গাড়ি বিক্রি করে হলেও সেই ফান্ডে টাকা দেব। প্রয়োজন হলে আমার রক্ত বিক্রি করতেও দ্বিধা করব না।”
চলচ্চিত্র নির্মাতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে যোগ্য পরিচালকদের এগিয়ে আসা উচিত। তার মতে, এ ধরনের চলচ্চিত্র ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো সঠিকভাবে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে বিভিন্ন মহল থেকে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর চেষ্টা হচ্ছে। তার ভাষায়, কেউ কেউ এই আন্দোলনকে ‘জঙ্গি কর্মকাণ্ড’ বা অন্যভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে। এ ধরনের প্রচারণার জবাবে ইতিহাসভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে “একটি মহাকাব্যিক বিপ্লব” এবং “অসম মহাযুদ্ধ” হিসেবে উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, “একপক্ষের হাতে ছিল অস্ত্র, আর অন্যপক্ষ বুককে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলনের সময় আহতদের চিকিৎসা নিয়েও নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। তার অভিযোগ, সে সময় হাসপাতালে অনেক আহত ব্যক্তি যথাযথ চিকিৎসাসেবা পাননি এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
অনুষ্ঠানে তিনি শহীদ ও আহতদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস দলিলভিত্তিকভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।