বিশ্বকাপের আগে কঙ্গোকে নিয়ে খুব একটা আশাবাদী ছিলেন না ফুটবল বিশ্লেষকরা। প্লে-অফ পেরিয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার পরও দলটিকে নিয়ে সমালোচনা ও টিটকারির শেষ ছিল না। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে সেই কঙ্গোই দেখিয়ে দিল, নাম কিংবা তারকাখ্যাতি নয়, ফল নির্ধারণ করে মাঠের পারফরম্যান্স। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী পর্তুগালকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে বড় চমক উপহার […]
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বকাপের আগে কঙ্গোকে নিয়ে খুব একটা আশাবাদী ছিলেন না ফুটবল বিশ্লেষকরা। প্লে-অফ পেরিয়ে মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়ার পরও দলটিকে নিয়ে সমালোচনা ও টিটকারির শেষ ছিল না। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে সেই কঙ্গোই দেখিয়ে দিল, নাম কিংবা তারকাখ্যাতি নয়, ফল নির্ধারণ করে মাঠের পারফরম্যান্স।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী পর্তুগালকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে বড় চমক উপহার দিয়েছে আফ্রিকার দেশটি। ফলে শিরোপাপ্রত্যাশী পর্তুগালকে শুরুতেই পয়েন্ট হারানোর হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোদের একের পর এক আক্রমণ সামলাতে ব্যস্ত থাকতে হয় কঙ্গোর রক্ষণভাগকে। তবে চাপের মুখেও দারুণ শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ জমে ওঠে আরও বেশি। পর্তুগাল আক্রমণের ধার বাড়ালেও কঙ্গো পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষকে সতর্ক রাখে। নিজেদের সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে তারা ম্যাচে সমতা ধরে রাখে এবং শেষ পর্যন্ত মূল্যবান এক পয়েন্ট নিশ্চিত করে।
ম্যাচ চলাকালে ধারাভাষ্যকাররাও কঙ্গোর পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন। যেই দলটিকে বিশ্বকাপের আগে অনেকেই অবমূল্যায়ন করেছিলেন, সেই দলই ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী পর্তুগালের বিপক্ষে অসাধারণ লড়াই উপহার দিয়েছে।
ড্রয়ের ফলে বিশ্বকাপের শুরুতেই সতর্কবার্তা পেল পর্তুগাল। অন্যদিকে কঙ্গোর জন্য এটি শুধু একটি পয়েন্ট নয়, বরং নিজেদের সামর্থ্যের শক্ত বার্তা। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার পথে এটি হতে পারে তাদের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়।
বিশ্বকাপের শুরুতেই এমন ফলাফল প্রমাণ করে দিয়েছে, বড় মঞ্চে কোনো প্রতিপক্ষকেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।