সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৩:৪৬ অপরাহ্ন, ২৩ জুলাই ২০২৬

তেলাপোকাদের আন্দোলনে নতুন অস্ত্র ‘আর্লিং হল্যান্ড’

ভারতে নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে এবার যুক্ত হয়েছে ভিন্নধর্মী এক ইন্টারনেট ট্রেন্ড। জেন-জি আন্দোলনকারীরা নরওয়ের ফুটবল তারকা আর্লিং হল্যান্ডকে ঘিরে মিম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণাকে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে ব্যবহার করছেন। আন্দোলন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ছলে দাবি করা হচ্ছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের এই সংকটের সমাধান নাকি এখন নির্ভর […]

তেলাপোকাদের আন্দোলনে নতুন অস্ত্র ‘আর্লিং হল্যান্ড’

ছবি এইআই নির্মিত: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ভারতে নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে এবার যুক্ত হয়েছে ভিন্নধর্মী এক ইন্টারনেট ট্রেন্ড। জেন-জি আন্দোলনকারীরা নরওয়ের ফুটবল তারকা আর্লিং হল্যান্ডকে ঘিরে মিম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণাকে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে ব্যবহার করছেন।

আন্দোলন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রসিকতার ছলে দাবি করা হচ্ছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের এই সংকটের সমাধান নাকি এখন নির্ভর করছে আর্লিং হল্যান্ডের একটি মন্তব্যের ওপর।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আলোচনায় থাকা ২৫ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারকে গত কয়েক সপ্তাহে বিভিন্ন মিমে ‘পিপলস প্রিন্সেস’ উপাধি দেওয়া হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় তাকে ভারতের শিক্ষা সংকটের কাল্পনিক ‘সমাধানকারী’ হিসেবেও তুলে ধরা হচ্ছে।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নরেন্দ্র মোদির নামে পরিচালিত একটি ব্যঙ্গাত্মক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্টে লেখা হয়, “আমার নাম নরেন্দ্র মোদি। হল্যান্ড যদি এই পোস্টে রিপ্লাই দেয়, তাহলে আমি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করব।”

পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং হাজারো মন্তব্য জমা পড়ে।

একজন ব্যবহারকারী লেখেন, “একটা দেশকে সাহায্য করো।”

আরেকজন মন্তব্য করেন, “হল্যান্ডের কমেন্ট করার সম্ভাবনা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ করার চেয়ে অনেক বেশি।”

ভারতের কৌতুকশিল্পী অনির্বাণ দাশগুপ্তও এই ট্রেন্ডে যোগ দিয়ে লেখেন, “আর্লিং, এটাকে হেড করে গোল করো—এটাই হবে মৌসুমের সেরা গোল।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই ট্রেন্ড রাস্তায় চলমান আন্দোলনেও প্রভাব ফেলেছে। মুম্বাইয়ের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একাংশকে হল্যান্ডের বিখ্যাত ‘ভাইকিং রো’ উদ্‌যাপনের ভঙ্গি অনুকরণ করতে দেখা যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি হতাশা প্রকাশে ভারতের তরুণ প্রজন্ম ক্রমেই মিম, ব্যঙ্গ ও ভাইরাল ইন্টারনেট সংস্কৃতিকে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। চলমান আন্দোলনকে অনেকেই ভারতের প্রথম বড় জেন-জি আন্দোলন হিসেবে উল্লেখ করছেন, যেখানে রাজপথের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও প্রতিবাদের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে।

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ