অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির প্রধান উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগারের দুটি মূল ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলসহ একাধিক জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর থেকে শোধনাগারের তিনটি ইউনিটের মধ্যে প্রধান দুটি ইউনিট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসব […]
ছবি: সংগৃহীত
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির প্রধান উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগারের দুটি মূল ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলসহ একাধিক জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর থেকে শোধনাগারের তিনটি ইউনিটের মধ্যে প্রধান দুটি ইউনিট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসব ইউনিট থেকেই মূলত পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল উৎপাদন হতো। বর্তমানে তৃতীয় ইউনিটে সীমিত পরিসরে বিটুমিন এবং অল্প পরিমাণ কিছু জ্বালানি উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় চলতি মাসের শুরু থেকেই কাঁচা তেলের সংকটে ভুগছিল শোধনাগারটি। ৫ এপ্রিল থেকে বিকল্প উপায়ে উৎপাদন টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত মজুত ন্যূনতম নিরাপদ সীমার নিচে নেমে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, সৌদি আরব থেকে আসার কথা থাকা প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েলের একটি চালান এখনো পৌঁছায়নি। নতুন চালান মে মাসের প্রথম সপ্তাহে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালে পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন আবার শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার টন অপরিশোধিত তেল পরিশোধন করে দেশের মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জোগান দেয়। তাই এই উৎপাদন বন্ধ থাকলেও তাৎক্ষণিক সংকট এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আপাতত বাজারে বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা না থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে চাপ বাড়তে পারে।