যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি সোমবার নিউইয়র্কে বৈঠকে বসছেন। স্থানীয় সময় সোমবার গ্রেসি ম্যানশনে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে নিউইয়র্ক শহর ও এর বাসিন্দাদের ওপর প্রভাব ফেলে এমন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস ও মেয়রের কার্যালয়। ট্রাম্প ও মামদানি রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন অবস্থানে থাকলেও এর আগে […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি সোমবার নিউইয়র্কে বৈঠকে বসছেন। স্থানীয় সময় সোমবার গ্রেসি ম্যানশনে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে নিউইয়র্ক শহর ও এর বাসিন্দাদের ওপর প্রভাব ফেলে এমন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস ও মেয়রের কার্যালয়।
ট্রাম্প ও মামদানি রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন অবস্থানে থাকলেও এর আগে তাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। এবার নিউইয়র্কে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তাদের আরেকটি সরাসরি সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে।
মামদানির প্রেস দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে নিউইয়র্ক শহর ও নিউইয়র্কবাসীর প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে।
চলতি বছরের শুরুতে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মামদানি। পরে ওই সাক্ষাৎকে তিনি ফলপ্রসূ বলে বর্ণনা করেন। সে সময় নিউইয়র্কে আবাসন নির্মাণ বাড়ানোর সম্ভাবনাসহ নগরীর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
গত বছরের নভেম্বরে আরেক বৈঠকের পর ট্রাম্প তৎকালীন মেয়র নির্বাচিত মামদানির প্রশংসা করেছিলেন। তবে তার আগে ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট মামদানিকে নিয়ে ট্রাম্পের সমালোচনাও ছিল।
সাবেক নিউইয়র্ক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমোর বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণার সময় মামদানিকে ট্রাম্প ‘কমিউনিস্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
মামদানি দায়িত্ব নেওয়ার পর নিউইয়র্কের আবাসন, পরিবহন, নিরাপত্তা ও অন্যান্য নগর সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সময় শহরে নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়েও প্রশাসনের বাড়তি প্রস্তুতি রয়েছে। নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রিডলক অ্যালার্ট কার্যকর থাকবে।
ট্রাম্প-মামদানির আসন্ন বৈঠকে নগরীর বিভিন্ন প্রয়োজন, ফেডারেল সহায়তা এবং নিউইয়র্কবাসীর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো জানিয়েছে।