সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বাংলাদেশ
৪:২৩ পিএম, ২৯ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে অভিযান

সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাদক, চোরাচালান, চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ সদরদপ্তরে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, সারাদেশে লুণ্ঠিত ও […]

বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন, সারাদেশে চলবে অভিযান

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাদক, চোরাচালান, চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ সদরদপ্তরে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি জানান, সারাদেশে লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ ইউনিট ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্রের বিষয়ে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করা ব্যক্তিদের জন্য বিভিন্ন অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পিস্তল, রিভলবার ও শটগান উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে প্রতিটি অস্ত্রের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে। এ ছাড়া সাউন্ড গ্রেনেড, লুণ্ঠিত টিয়ার গ্যাস শেল এবং অন্যান্য লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যের ক্ষেত্রে অস্ত্রের ধরন অনুযায়ী ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যদাতাদের পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলে আশ্বস্ত করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে সাধারণ মানুষের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিল করা অস্ত্রের লাইসেন্স জমা না দেওয়ায় সেগুলোকে ইতোমধ্যে অবৈধ অস্ত্র হিসেবে গণ্য করে মামলা করা হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে।

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব করতে নিয়মিত কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার ভাষ্য, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জনে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সারাদেশে অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় বিশেষ কৌশলগত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ দমনে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম আরও জোরদার করার কথাও জানান তিনি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ