বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, দুই আসনের সাম্প্রতিক নির্বাচন প্রমাণ করেছে বিএনপি সরকারও আগের শাসনের মতো একই কর্তৃত্ববাদী পথে হাঁটছে। জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “নাম বদলেছে, কিন্তু স্টাইল একই রয়ে গেছে।” তিনি দাবি করেন, নির্বাচন পরিচালনার ধরন দেখে মানুষের মধ্যে “মাগুরা ৯৪”–এর স্মৃতি ফিরে […]
ছবি: সংগৃহীত
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, দুই আসনের সাম্প্রতিক নির্বাচন প্রমাণ করেছে বিএনপি সরকারও আগের শাসনের মতো একই কর্তৃত্ববাদী পথে হাঁটছে। জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “নাম বদলেছে, কিন্তু স্টাইল একই রয়ে গেছে।”
তিনি দাবি করেন, নির্বাচন পরিচালনার ধরন দেখে মানুষের মধ্যে “মাগুরা ৯৪”–এর স্মৃতি ফিরে এসেছে, অর্থাৎ ভোট প্রক্রিয়ায় পুরোনো ধরনের অনিয়ম ও একতরফা নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার ভাষায়, এতদিন বিএনপির সংস্কার ও গণতন্ত্রের প্রতিশ্রুতির অনেকটাই এখন “মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার বুলি” বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
সংসদে ওয়াকআউট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিলে বিরোধী দল সমর্থন দিলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার ও নির্বাচনী কাঠামোকে প্রভাবিত করতে পারে—এমন কয়েকটি বিলে তারা তীব্র আপত্তি তোলে। বিশেষ করে মন্ত্রীদের জন্য সীমাহীন সময় এবং বিরোধীদের জন্য সীমিত সময় নির্ধারণকে তিনি সংসদীয় ভারসাম্যের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, স্থানীয় সরকারে নির্বাচিত প্রতিনিধির বদলে প্রশাসক বসানোর প্রবণতা ভবিষ্যতে একদলীয় নিয়ন্ত্রণ ও নতুন ধরনের ফ্যাসিবাদের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেন, বিরোধী দল সংসদ বর্জন করেনি; বরং জনগণের পক্ষে সংসদ ও রাজপথ—দুই জায়গাতেই সোচ্চার থাকবে।
সবশেষে তিনি বলেন, “আমরা আগেও ফ্যাসিবাদ মেনে নেইনি, এখনও নেব না। নতুন কোনো ফ্যাসিবাদও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রুখে দেব।”