সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

ধর্ম
৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিবাহিত নারী বাবার বাড়িতে মুসাফির না মুকিম?

প্রশ্ন: আমি আমার হাসবেন্ডসহ আমার বাবার বাড়িতেই থাকি। আমরা কেউই উপার্জন করি না। মাসের অর্ধেক সময় বাবার বাড়ি আর শশুরবাড়ি থাকি। দুই বাড়ির দূরত্ব অনেক। আমি জানতে চাচ্ছি যে, আমাদের দুইজনেরই কোথায় কসরের নামাজ পড়া উচিত? বাবার বাড়ি নাকি শশুরবাড়ি? উত্তর: বিয়ের পর নারীর জন্য স্বামীর বাড়ি কিংবা স্বামীর সঙ্গে অবস্থানের স্থানই স্থায়ী নিবাস। কাজেই […]

বিবাহিত নারী বাবার বাড়িতে মুসাফির না মুকিম?
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

প্রশ্ন: আমি আমার হাসবেন্ডসহ আমার বাবার বাড়িতেই থাকি। আমরা কেউই উপার্জন করি না। মাসের অর্ধেক সময় বাবার বাড়ি আর শশুরবাড়ি থাকি। দুই বাড়ির দূরত্ব অনেক। আমি জানতে চাচ্ছি যে, আমাদের দুইজনেরই কোথায় কসরের নামাজ পড়া উচিত? বাবার বাড়ি নাকি শশুরবাড়ি?

উত্তর: বিয়ের পর নারীর জন্য স্বামীর বাড়ি কিংবা স্বামীর সঙ্গে অবস্থানের স্থানই স্থায়ী নিবাস। কাজেই বিবাহিত কোনো নারী যদি বাবার বাড়িকেই নিজের স্থায়ী/দীর্ঘাস্থায়ী নিবাস হিসেবে গ্রহন করে তাহলে তিনি সেখানে মুকিম হিসেবে গণ্য হবে।

আর যদি সেটাকে স্থায়ী নিবাস নয় বরং বেড়ানোর ক্ষেত্র মনে করে বাবার বাড়িতে ১৫ দিনের কম থাকে এবং শ্বশুরবাড়ী ও বাবার বাড়ির মাঝে সফরসম (৭৮ কি.মি প্রায়) দূরত্ব হয় তাহলে তিনি সেখানে মুসাফির হিসেবে গণ্য হবে।

তখন জোহর, আসর এবং ইশার (চার রাকাআত বিশিষ্ট) ফরজ নামাজের পরিবর্তে দুই রাকাআত কসর নামাজ পড়বেন। তবে তারা যদি স্থানীয় ইমামের পেছনে জামাআতে নামাজ পড়েন তবে তারা ইমামের অনুসরণে পুরো নামাজই আদায় করবেন।

আবার ইমাম যদি মুসাফির হয় তবে ইমামের সঙ্গেই নামাজ শেষ করবে। একা একা নামাজ পড়লে কসর পড়বেন। (আদ্দুররুল মুখতার মা’ আররাদ্দিল মুহতার ২/১২১,১২২)

হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, মুকিম ও মুসাফির অবস্থায় নামাজ দু’দু রাক’আত ফরজ করা হয়েছিল। পরে সফরের নামাজ ঠিক রাখা হল কিন্তু মুকিমের নামাজে বৃদ্ধি করা হল। (বুখারি-১০৪০, মুসলিম- ৬৮৫)

কাজেই এখন আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে যে, আপনি আপনার পিত্রালয়ে কি হিসেবে থাকেন। মেহমান হিসবে না স্থায়ী নিবাস মনে করে। সেই হিসেবেই হুকুম নির্ধারণ হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ