চলমান ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ফক্সবোরো এলাকায় স্টেডিয়ামের আশপাশের বাসিন্দাদের জন্য তৈরি হয়েছে বাড়তি আয়ের সুযোগ। সীমিত পার্কিং সুবিধার কারণে দর্শকদের গাড়ি রাখার ব্যবস্থা করে উল্লেখযোগ্য অর্থ আয় করছেন স্থানীয় বাড়ির মালিকেরা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস বস্টনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফক্সবোরোর বস্টন স্টেডিয়াম (জিলেট স্টেডিয়াম)-এ পার্কিংয়ের ধারণক্ষমতা মাত্র ৫ হাজার গাড়ি। স্টেডিয়ামের পার্কিং […]
ছবি: সংগৃহীত
চলমান ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ফক্সবোরো এলাকায় স্টেডিয়ামের আশপাশের বাসিন্দাদের জন্য তৈরি হয়েছে বাড়তি আয়ের সুযোগ। সীমিত পার্কিং সুবিধার কারণে দর্শকদের গাড়ি রাখার ব্যবস্থা করে উল্লেখযোগ্য অর্থ আয় করছেন স্থানীয় বাড়ির মালিকেরা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস বস্টনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফক্সবোরোর বস্টন স্টেডিয়াম (জিলেট স্টেডিয়াম)-এ পার্কিংয়ের ধারণক্ষমতা মাত্র ৫ হাজার গাড়ি। স্টেডিয়ামের পার্কিং ব্যবহার করতে দর্শকদের প্রায় ১৭৫ ডলার পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্টেডিয়ামের পাশের বিভিন্ন বাড়ির মালিক নিজেদের উঠান ও লন পার্কিংয়ের জন্য ভাড়া দিচ্ছেন।
স্টেডিয়ামসংলগ্ন উইলো স্ট্রিট এলাকায় মাত্র ১০০ ডলারে গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ফলে তুলনামূলক কম খরচে পার্কিং পেয়ে অনেক দর্শক স্থানীয় বাসিন্দাদের সেবাই বেছে নিচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রাইয়ান ওয়াটসন জানান, আগে কখনো এভাবে আয়ের কথা ভাবেননি। তবে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হওয়ায় তিনি তা কাজে লাগাচ্ছেন। এই অর্থ তিনি সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য সঞ্চয় করছেন।
তবে এই ব্যবসা পরিচালনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নিতে হচ্ছে। প্রায় ৭০০ ডলার ফি দিয়ে বিশেষ পারমিট সংগ্রহের পর একজন বাড়ির মালিক সর্বোচ্চ ২৬টি গাড়ি পার্কিংয়ের সুযোগ দিতে পারেন।
ওয়াশিংটন স্ট্রিটের বাসিন্দা এরিকা বার্ডন বলেন, বিশ্বকাপের একটি ম্যাচের দিন তার বাড়ির ২৬টি পার্কিং স্পটের সবগুলোই পূর্ণ হয়ে যায়। বিশ্বকাপজুড়ে এই সেবা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। ভবিষ্যতে বড় কনসার্ট বা ক্রীড়া আয়োজনের সময়ও একই উদ্যোগ চালিয়ে যেতে চান তিনি।
অন্যদিকে জন রুহানা নামের আরেক বাসিন্দা জানান, পার্কিং থেকে পাওয়া অতিরিক্ত আয় দিয়ে তিনি তার বার্ষিক সম্পত্তি কর পরিশোধের পরিকল্পনা করছেন।
বিশ্বকাপকে ঘিরে ফক্সবোরোর স্থানীয় বাসিন্দাদের এই উদ্যোগ এখন আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। স্টেডিয়ামের সীমিত পার্কিং সুবিধা যেমন দর্শকদের বিকল্প খুঁজতে বাধ্য করেছে, তেমনি স্থানীয়দের জন্যও তৈরি করেছে নতুন আয়ের সুযোগ।