দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতকে ৩৪ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে আয়ারল্যান্ড। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই সংস্করণে ভারতীয়দের বিপক্ষে এটিই আইরিশদের প্রথম জয়। শুক্রবার (২৬ জুন) বেলফাস্টের সিভিল সার্ভিস ক্রিকেট ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে আয়ারল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত। তবে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ৫১ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় […]
ছবি: সংগৃহীত
দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতকে ৩৪ রানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে আয়ারল্যান্ড। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই সংস্করণে ভারতীয়দের বিপক্ষে এটিই আইরিশদের প্রথম জয়।
শুক্রবার (২৬ জুন) বেলফাস্টের সিভিল সার্ভিস ক্রিকেট ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে আয়ারল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভারত। তবে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ৫১ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা।
কিন্তু পঞ্চম উইকেটে লরকান টাকার ও গ্যারেথ ডেলানির দায়িত্বশীল ব্যাটিং আয়ারল্যান্ডকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে। এরপর জর্জ ডকরেলকে সঙ্গে নিয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তোলেন ডেলানি।
অধিনায়ক লরকান টাকার ৫০ রান এবং গ্যারেথ ডেলানি ৪৯ রান করেন। এছাড়া টিম টেক্টর ১৭, রস অ্যাডায়ের ১২, বেন কালিজ ১৫ এবং জর্জ ডকরেল ১৯ রান যোগ করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় আয়ারল্যান্ড।
ভারতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন হর্ষিত রানা। তিনি তিনটি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন আর্শদীপ সিং ও অক্ষর প্যাটেল।
১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ভারত। একপ্রান্ত ধরে রেখে লড়াই চালিয়ে যান ওপেনার অভিষেক শর্মা। তবে ব্যক্তিগত ৪৯ রানে আউট হয়ে গেলে ভারতের জয়ের আশা অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়।
এরপর তিলক ভার্মা ১৯, অক্ষর প্যাটেল ১৫ এবং শিবম দুবে ২৫ রান করলেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে পারেননি। অন্য ব্যাটারদের কেউই বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন।
শেষ পর্যন্ত ১৮ দশমিক ৫ ওভারে ১৪৮ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। আয়ারল্যান্ডের হয়ে ম্যাট হলার্ড ও ম্যাথিউ হামফ্রিজ তিনটি করে উইকেট নেন। অভিষিক্ত জাই মুন্দ্রা শিকার করেন দুটি উইকেট।
এই জয়ের মাধ্যমে ভারতের বিপক্ষে প্রথম আন্তর্জাতিক জয় তুলে নিল আয়ারল্যান্ড। একই সঙ্গে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। ক্রিকেট ইতিহাসে এটি আয়ারল্যান্ডের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।