ভারতের ঝাড়খণ্ডে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ১৪তম ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (জেপিএসসি) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিল, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং রাজ্যের নিয়োগব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাঁচির জয়পাল সিংমুণ্ডা স্টেডিয়ামে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেছেন ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো। তার এই কর্মসূচির প্রতি সমর্থন […]
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের ঝাড়খণ্ডে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ১৪তম ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (জেপিএসসি) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিল, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং রাজ্যের নিয়োগব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাঁচির জয়পাল সিংমুণ্ডা স্টেডিয়ামে অনির্দিষ্টকালের অনশন শুরু করেছেন ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো। তার এই কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির সমর্থনের পর আন্দোলন আরও জোরদার হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং প্রশাসনিক গাফিলতির কারণে বারবার চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং নিয়োগব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
বার্তা সংস্থা এএনআই–কে দেওয়া বক্তব্যে দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো বলেন, গত মাসে ১৪তম জেপিএসসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকেই এই আন্দোলনের সূচনা হয়।
তিনি বলেন, “আমরা ৫ জুলাই আন্দোলন শুরু করি। ৭ জুলাই রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করি এবং ৮ জুলাই কুশপুত্তলিকা দাহ করে প্রতিবাদ জানাই। পরে ২০ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের সঙ্গে দেখা করে অনিয়মের বিভিন্ন প্রমাণ তুলে ধরি। এরপর সরকার বিষয়টি পর্যালোচনার উদ্যোগ নেয়।”
তবে তার অভিযোগ, কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আন্দোলনের পরও সরকার এবং ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (জেপিএসসি) শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের বিষয়গুলো সন্তোষজনকভাবে সমাধান করতে পারেনি।
দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো জানান, মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কাছে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন।
আন্দোলনকারীদের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
এদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি পর্যালোচনার কথা বলা হলেও আন্দোলনকারীরা বলছেন, সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, এএনআই