সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

উত্তর আমেরিকা
২:৫৩ অপরাহ্ন, ৬ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে লাতিন ভোটারদের সমর্থন কমেছে ট্রাম্পের

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি লাতিন বংশোদ্ভূত মার্কিন ভোটারদের সমর্থন কমেছে। সাম্প্রতিক Reuters/Ipsos জরিপে এই ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের কাজের অনুমোদন ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা তার বর্তমান ও আগের মেয়াদ মিলিয়ে সর্বনিম্ন। ছয় দিন ধরে পরিচালিত ওই জরিপ সোমবার শেষ হয়। এতে সব মার্কিন ভোটারের মধ্যে ট্রাম্পের কাজের অনুমোদন ৩২ শতাংশ […]

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে লাতিন ভোটারদের সমর্থন কমেছে ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি লাতিন বংশোদ্ভূত মার্কিন ভোটারদের সমর্থন কমেছে। সাম্প্রতিক Reuters/Ipsos জরিপে এই ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের কাজের অনুমোদন ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে, যা তার বর্তমান ও আগের মেয়াদ মিলিয়ে সর্বনিম্ন।

ছয় দিন ধরে পরিচালিত ওই জরিপ সোমবার শেষ হয়। এতে সব মার্কিন ভোটারের মধ্যে ট্রাম্পের কাজের অনুমোদন ৩২ শতাংশ পাওয়া গেছে। সেপ্টেম্বরের জরিপেও তার অনুমোদনের হার ছিল ৩২ শতাংশ।

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লাতিন ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের সমর্থন আগের তুলনায় বেড়েছিল। পিউ রিসার্চ সেন্টারের হিসাবে, ওই নির্বাচনে ট্রাম্প ৪৮ শতাংশ এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস ৫১ শতাংশ লাতিন ভোট পেয়েছিলেন। ২০২০ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের পাওয়া লাতিন ভোটের হার ছিল ৩৬ শতাংশ।

তবে সর্বশেষ Reuters/Ipsos জরিপে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে লাতিন ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ৫২ শতাংশ। রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন ২৬ শতাংশ।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখবে, তা নির্ধারিত হবে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে তার প্রশাসনের নীতির প্রতি ভোটারদের মনোভাব বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখছে দুই দল।

ট্রাম্পের অনুমোদনের হার কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রচারে জোর দিচ্ছে। কংগ্রেসের এক বা উভয় কক্ষে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে কংগ্রেসে তাদের অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে।

রিপাবলিকান পার্টির মধ্যেও ট্রাম্পের কিছু নীতির বিষয়ে অসন্তোষের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ফ্লোরিডার রিপাবলিকান প্রতিনিধি মারিয়া এলভিরা সালাজার গত মাসে প্রকাশিত এক নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে বলেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন করা কিছু লাতিন ভোটার এখন নিজেদের প্রতারিত মনে করছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করে সালাজার বলেন, অপরাধের রেকর্ড নেই এমন অভিবাসীদের আটক ও বহিষ্কারের মতো কিছু পদক্ষেপ সীমা ছাড়িয়ে গেছে।

জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়েও ভোটারদের উদ্বেগ রয়েছে। Reuters/Ipsos-এর সাম্প্রতিক জরিপে জীবনযাত্রার ব্যয়কে ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে পাওয়া গেছে। বিভিন্ন বিশ্লেষকও এসব বিষয় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মত দিয়েছেন।

তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে সক্রিয় রয়েছেন ট্রাম্প। তিনি দেশজুড়ে ৩২ দিনের প্রচার কর্মসূচি শুরু করেছেন। দলের প্রার্থীদের পক্ষে তার প্রচারে অংশ নেওয়া নিয়ে রিপাবলিকানদের আপত্তির কথা অস্বীকার করে ট্রাম্প বলেছেন, ‘তারা সবাই চান আমি প্রচারে যাই।’

সর্বশেষ জরিপের ফল অনুযায়ী, লাতিন ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের অনুমোদন ও রিপাবলিকানদের প্রতি ভোটের ইচ্ছা আগের তুলনায় কমেছে। তবে জরিপের ফলাফল ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল নির্দেশ করে না; ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে ভোটারদের প্রকৃত সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ