সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বাংলাদেশ
১১:৩৩ এএম, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে হাসিনার মৃত্যুদণ্ড

দি বাংলা ভয়েস: টানা দেড় দশকের বেশি সময় ধরে কর্তৃত্ববাদী শাসন, এরপর জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা এখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। বাংলাদেশে রাষ্ট্র কিংবা সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালনকারীদের মধ্যে তিনিই প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত হলেন। জুলাই আন্দোলনের সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের […]

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে হাসিনার মৃত্যুদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দি বাংলা ভয়েস: টানা দেড় দশকের বেশি সময় ধরে কর্তৃত্ববাদী শাসন, এরপর জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা এখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। বাংলাদেশে রাষ্ট্র কিংবা সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালনকারীদের মধ্যে তিনিই প্রথম মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত হলেন।

জুলাই আন্দোলনের সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে। পাঁচ বছর কারাদণ্ডাদেশ হয়েছে বাকি আসামি সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনের।

৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে এই রায় হয়। অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গত বছরের ৫ আগস্ট তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে গিয়ে ওঠেন। এখনো সেখানেই রয়েছেন তিনি। পলাতক থাকায় এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ তিনি পাচ্ছেন না বলে ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন।

 মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ডকে ‘একটি ঐতিহাসিক রায়’ বলে অভিহিত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সেইসঙ্গে এই রায়ের গভীর তাৎপর্য উপলব্ধি করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সর্বস্তরের জনগণকে শান্ত, সংযত ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বানও জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনগণের, বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্বজনদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই রায়কে ঘিরে জনমনে স্বাভাবিকভাবেই আবেগ সৃষ্টি হতে পারে।  তবে সেই আবেগের বশবর্তী হয়ে যেন কেউ জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে এমন কোনো পদক্ষেপ না নেয়—সরকার এ বিষয়ে দৃঢ়ভাবে সবাইকে সতর্ক করছে।

সেইসঙ্গে যে কোনো ধরনের অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা বা জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলেও বার্তা দিয়েছে সরকার।

এদিকে সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এক বিবৃতিতে রায়-পরবর্তী সময়ে কোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা, উত্তেজনাপ্রসূত আচরণ, সহিংসতা বা আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ