টাইফুন ‘ডলফিন’র প্রভাবে উষ্ণ বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় হংকংয়ে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) শহরটির তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যা ১৮৮৪ সালে তাপমাত্রার রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে হংকংয়ের সর্বোচ্চ। হংকং অবজারভেটরি জানিয়েছে, রোববার বিকেলে তাদের প্রধান কার্যালয়ে ৩৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর আগে ২০১৭ […]
ছবি: সংগৃহীত
টাইফুন ‘ডলফিন’র প্রভাবে উষ্ণ বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় হংকংয়ে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) শহরটির তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যা ১৮৮৪ সালে তাপমাত্রার রেকর্ড রাখা শুরু হওয়ার পর থেকে হংকংয়ের সর্বোচ্চ।
হংকং অবজারভেটরি জানিয়েছে, রোববার বিকেলে তাদের প্রধান কার্যালয়ে ৩৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এর আগে ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট হংকংয়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।
টাইফুন ‘ডলফিন’র প্রভাবে সপ্তাহান্তে হংকংসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র গরম অনুভূত হয়। একই সময়ে চীনের পূর্ব উপকূলে ব্যাপক ফ্লাইট বাতিল ও মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে রোববার সন্ধ্যায় চীনের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানে টাইফুনটি।
তবে শহরের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি ছিল। হংকংয়ের উত্তরাঞ্চলের শুং শুই এলাকায় একটি আবহাওয়া কেন্দ্রে ৩৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ১৯৮০-এর দশকে স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া স্টেশন চালু হওয়ার পর এটিই সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।
হংকং অবজারভেটরি জানিয়েছে, টাইফুন ‘ডলফিন’ ঝেজিয়াংয়ের দিকে এগিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করায় এর প্রভাবে মঙ্গলবার পর্যন্ত হংকংয়ে প্রচণ্ড গরম থাকতে পারে।
তীব্র গরমের কারণে রোববার ‘অতি গরম আবহাওয়া সতর্কতা’ জারি করে হংকং কর্তৃপক্ষ। নাগরিকদের পর্যাপ্ত পানি পান এবং অতিরিক্ত পরিশ্রমের শারীরিক কর্মকাণ্ড এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রোববার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ইউহুয়ানের কাছে আঘাত হানে ‘ডলফিন’। আঘাত হানার সময় টাইফুনটির কেন্দ্রে সর্বোচ্চ বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৫১ কিলোমিটার। শক্তির দিক থেকে এটি স্যাফির-সিম্পসন স্কেলে ক্যাটাগরি-১ মাত্রার হারিকেনের সমতুল্য।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে চরম তাপপ্রবাহের ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটাচ্ছে এবং এসব তাপপ্রবাহ আগের তুলনায় আরও তীব্র হয়ে উঠছে।