২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ব্রাজিলের লড়াই শুধু মাঠের পারফরম্যান্সেই সীমাবদ্ধ নেই, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আর্থিক চাপও। খেলোয়াড়দের পাওয়া হলুদ কার্ডের কারণে বড় অঙ্কের জরিমানা গুনতে হচ্ছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনকে (সিবিএফ)। ফিফার শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী, বিশ্বকাপে কোনো খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখলে সংশ্লিষ্ট জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে ১০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা দিতে হয়। এছাড়া দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের […]
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ব্রাজিলের লড়াই শুধু মাঠের পারফরম্যান্সেই সীমাবদ্ধ নেই, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আর্থিক চাপও। খেলোয়াড়দের পাওয়া হলুদ কার্ডের কারণে বড় অঙ্কের জরিমানা গুনতে হচ্ছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনকে (সিবিএফ)।
ফিফার শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী, বিশ্বকাপে কোনো খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখলে সংশ্লিষ্ট জাতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে ১০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা দিতে হয়। এছাড়া দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের কারণে লাল কার্ড পেলে জরিমানার পরিমাণ ১৫ হাজার সুইস ফ্রাঁ এবং সরাসরি লাল কার্ডের ক্ষেত্রে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২০ হাজার সুইস ফ্রাঁ।
রাউন্ড অব ১৬-এ ওঠার আগে পর্যন্ত ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা মোট সাতটি হলুদ কার্ড দেখেছেন। ফলে সিবিএফকে ইতোমধ্যে ৭০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা গুনতে হচ্ছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় এক কোটি টাকারও বেশি।
গ্রুপ পর্বে ব্রাজিল পাঁচটি হলুদ কার্ড পায়। মরক্কোর বিপক্ষে কার্ড দেখেন ইবানিয়েজ ও কাসেমিরো, হাইতির বিপক্ষে ডগলাস সান্তোস এবং স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে দানিলো ও ফাবিনিহো। পরে জাপানের বিপক্ষে রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে আরও দুটি হলুদ কার্ড দেখেন কাসেমিরো ও দানিলো।
তবে এই হলুদ কার্ডগুলোর কারণে খেলোয়াড়দের পরবর্তী ম্যাচে খেলতে কোনো বাধা নেই। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, দুটি আলাদা ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড দেখলে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। বর্তমানে কাসেমিরো ও দানিলো এক হলুদ কার্ড দূরে রয়েছেন নিষেধাজ্ঞা থেকে।
২০২৬ বিশ্বকাপে হলুদ কার্ডের নিয়মেও পরিবর্তন এনেছে ফিফা। গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পর এবং আবার কোয়ার্টার ফাইনালের পর খেলোয়াড়দের হলুদ কার্ডের হিসাব মুছে ফেলা হবে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচগুলো মিস না করেন।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী এসব জরিমানা সংশ্লিষ্ট ফুটবল ফেডারেশনকে নিজেদের তহবিল থেকেই পরিশোধ করতে হয় এবং তা বিশ্বকাপের প্রাইজমানি থেকে কেটে নেওয়া হয় না।