রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, যিনি শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ‘প্লট জালিয়াতি’ মামলার অন্যতম আসামি, নিজ খরচে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দিতে চান। পাশাপাশি তিনি কারাগারে ডিভিশনের আবেদনও করেছেন। ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে বুধবার এই দুই আবেদন করেন খুরশীদ আলমের পক্ষে অ্যাডভোকেট শাহিনুর রহমান। শুনানির পর আদালত কারাগার কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা […]
রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, যিনি শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ‘প্লট জালিয়াতি’ মামলার অন্যতম আসামি, নিজ খরচে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজিরা দিতে চান। পাশাপাশি তিনি কারাগারে ডিভিশনের আবেদনও করেছেন।
ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে বুধবার এই দুই আবেদন করেন খুরশীদ আলমের পক্ষে অ্যাডভোকেট শাহিনুর রহমান। শুনানির পর আদালত কারাগার কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, খুরশীদ আলম একজন সম্মানিত ব্যক্তি, যিনি বিসিএস ত্রয়োদশ ব্যাচের সদস্য এবং বিভিন্ন সরকারি দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বয়স বর্তমানে ৬১ বছর এবং তিনি বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবনের প্রয়োজন রয়েছে। এই কারণেই তিনি নিজ খরচে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করে আদালতে আসার অনুমতি চেয়েছেন এবং কারাগারে ডিভিশন সুবিধাও প্রার্থনা করেছেন।
এর আগে একই দিনে খুরশীদ আলম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, ৩১ জুলাই শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সাত সদস্যসহ মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এই মামলাসহ মোট নয়টি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান রয়েছে, যেখানে বিভিন্ন তারিখে মোট ৭৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দেখা যায়, উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৃহৎ পরিসরে বিচার প্রক্রিয়া চলছে, যা দেশের আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি, বয়স ও স্বাস্থ্যগত কারণে আসামিদের মানবিক অধিকার রক্ষা করার বিষয়টি আইন প্রণালীতে যথাযথ গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা যায়।