সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:১২ অপরাহ্ন, ২৫ জুলাই ২০২৬

মানবাধিকার ইস্যুতে ইইউর অবস্থানকে ‘ভণ্ডামি’ বলল ইরান

মানবাধিকার প্রশ্নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অবস্থানকে দ্বিমুখী ও ভণ্ডামিপূর্ণ বলে তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। তেহরানের দাবি, একদিকে ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করা হলেও অন্যদিকে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলার বিষয়ে ইউরোপ নীরব বা পরোক্ষভাবে সমর্থন দিচ্ছে। শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। ইউরোপীয় […]

মানবাধিকার ইস্যুতে ইইউর অবস্থানকে ‘ভণ্ডামি’ বলল ইরান

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

মানবাধিকার প্রশ্নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অবস্থানকে দ্বিমুখী ও ভণ্ডামিপূর্ণ বলে তীব্র সমালোচনা করেছে ইরান। তেহরানের দাবি, একদিকে ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করা হলেও অন্যদিকে দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলার বিষয়ে ইউরোপ নীরব বা পরোক্ষভাবে সমর্থন দিচ্ছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কাল্লাসের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাঘেই বলেন, মানবাধিকার রক্ষার দাবি তখনই গ্রহণযোগ্য হয়, যখন একই মানদণ্ড সবার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। তার অভিযোগ, বেসামরিক মানুষ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনায় যদি ইউরোপীয় দেশগুলো কোনো ধরনের লজিস্টিক বা প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকে, তাহলে মানবাধিকার নিয়ে তাদের অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে নিহত বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোনো সহমর্মিতা প্রকাশ করেনি। একই সঙ্গে এসব হামলার ঘটনায় সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নিয়েও তারা নীরব থেকেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের ভাষায়, এ ধরনের অবস্থান মানবাধিকার রক্ষার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

এর আগে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের কয়েকজন বিচারক ও একটি সাইবার নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক বাকযুদ্ধ আরও তীব্র হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং মানবাধিকার ইস্যুকে কেন্দ্র করে তেহরান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ