সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
১:৪৫ অপরাহ্ন, ৩ আগস্ট ২০২৬

ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় আসাম ও কেরালায় প্রাণহানি শতাধিক

ভারতের চলতি বর্ষা মৌসুমে টানা ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় আসাম ও কেরালাসহ কয়েকটি রাজ্যে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আসামে এখন পর্যন্ত ৮৫ জন এবং কেরালায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে দুই রাজ্যে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে। সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত দ্য হিন্দু–এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। কেরালার […]

ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় আসাম ও কেরালায় প্রাণহানি শতাধিক

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ভারতের চলতি বর্ষা মৌসুমে টানা ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় আসাম ও কেরালাসহ কয়েকটি রাজ্যে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আসামে এখন পর্যন্ত ৮৫ জন এবং কেরালায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে দুই রাজ্যে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০ জনে।

সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত দ্য হিন্দু–এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

কেরালার মুখ্যমন্ত্রী ভি. ডি. সতীশন জানিয়েছেন, এখনো অন্তত সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি বলেন, রাজ্যজুড়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও বিভিন্ন এলাকায় এখনো ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) কেরালার ১০টি জেলায় বৃষ্টির সতর্কতা কমলা সংকেতে উন্নীত করেছে। রোববার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টি সোমবার সকাল পর্যন্ত কোচিসহ বিভিন্ন এলাকায় অব্যাহত ছিল।

বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর মুখ্যমন্ত্রী জানান, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে ৩১৬টি ত্রাণশিবির চালু করা হয়েছে। সেখানে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১১ হাজার ১৮ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

ভারী বৃষ্টির কারণে কেরালার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাও স্থগিত করেছে সরকার। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, তিরুবনন্তপুরম, কোল্লাম, ত্রিশূর ও পালাক্কাড ছাড়া রাজ্যের বাকি জেলাগুলো কমলা সতর্কতার আওতায় রয়েছে।

রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবারও কয়েকটি এলাকায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে আসামে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজ্যের পাঁচটি জেলায় ১ লাখ ৩৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন। আগের হিসাবের তুলনায় এ সংখ্যা কিছুটা কমেছে।

রোববার শিবসাগর জেলায় আরও তিনজনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি বছরে আসামে বৃষ্টি ও বন্যাজনিত প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে পৌঁছেছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার অভিযান এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতাও জারি রয়েছে।

সূত্র: দ্য হিন্দু

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ