দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ গভর্নরেটের একাধিক লোকালয় ও বনাঞ্চলে নিষিদ্ধ ফসফরাস বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)–র বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ লেবাননের ইয়ারুন, আরনুন ও বিন্ত জুবাইল এলাকার জলপাই ও পাইন বাগানে এসব কেমিক্যালভর্তি বোমা ফেলা হয়। এর […]
ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ গভর্নরেটের একাধিক লোকালয় ও বনাঞ্চলে নিষিদ্ধ ফসফরাস বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)–র বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ লেবাননের ইয়ারুন, আরনুন ও বিন্ত জুবাইল এলাকার জলপাই ও পাইন বাগানে এসব কেমিক্যালভর্তি বোমা ফেলা হয়। এর ফলে সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
একই সময়ে নাবাতিয়েহর কাছে আলি আল-তাহের পাহাড়ি এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী দুটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বলেও জানিয়েছে এনএনএ। এছাড়া টায়ার শহরের বাইত আল-সাইয়াদ এলাকায় একটি ইসরায়েলি ড্রোন থেকে স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।
এদিকে দক্ষিণ লেবাননে টানা আট মাসের সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে শেষ করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। রোববার ৯১তম ডিভিশনের একটি বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের অধীনস্থ ৪০১তম ব্রিগেড দক্ষিণ লেবাননে নির্ধারিত কৌশলগত ও প্রতিরক্ষামূলক দায়িত্ব শেষ করেছে।
আইডিএফের দাবি, গত আট মাসে সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে তারা হিজবুল্লাহর ১,২০০টিরও বেশি আস্তানা ও অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে ভূগর্ভস্থ টানেল নেটওয়ার্ক এবং একাধিক সামরিক বাঙ্কারও রয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও দাবি করেছে, এসব অভিযানে ৬০০টির বেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্তত ৬০ জন হিজবুল্লাহ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
তবে লেবাননের পক্ষ থেকে এসব দাবির স্বাধীন যাচাই এখনো পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা ও আগুন লাগার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
সূত্র: ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)