সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিশ্ব
১:৫৬ পিএম, ১৩ আগস্ট ২০২৬

সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের জোট: ‘ইসলামিক ন্যাটো’ কি মুসলিম দেশগুলোকে সুরক্ষা দিতে পারবে?

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামরিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক শক্তি ও ভূরাজনৈতিক প্রভাবের দিক থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দেশের এই জোট একদিকে যেমন কৌশলগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, অন্যদিকে চুক্তিটি মক্কায় স্বাক্ষর হওয়ায় এর প্রতীকী গুরুত্বও রয়েছে। নতুন এই জোটকে অনেকেই সম্ভাব্য ‘ইসলামিক ন্যাটো’ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ […]

সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের জোট: ‘ইসলামিক ন্যাটো’ কি মুসলিম দেশগুলোকে সুরক্ষা দিতে পারবে?
নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ মিনিটে পড়ুন |

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামরিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক শক্তি ও ভূরাজনৈতিক প্রভাবের দিক থেকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দেশের এই জোট একদিকে যেমন কৌশলগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, অন্যদিকে চুক্তিটি মক্কায় স্বাক্ষর হওয়ায় এর প্রতীকী গুরুত্বও রয়েছে।

নতুন এই জোটকে অনেকেই সম্ভাব্য ‘ইসলামিক ন্যাটো’ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে চুক্তিতে ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের মতো একটি নীতি থাকার বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। অর্থাৎ, জোটভুক্ত কোনো একটি দেশের ওপর হামলাকে অন্য সদস্যরাও নিজেদের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করবে।

সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা, ব্যয় ভাগাভাগি এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের ক্ষেত্রেও তিন দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কেন নতুন জোটের প্রয়োজন হলো?

সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সময় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। এ অবস্থায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক নিজেদের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করে একটি বিকল্প প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

তিন দেশের নেতারা অবশ্য জোর দিয়ে বলছেন, এই জোট কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে গঠিত হয়নি। তাদের ভাষ্য, এর মূল লক্ষ্য আন্তঃদেশীয় সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

পাকিস্তান ও সৌদি আরব গত বছর যে সামরিক চুক্তি করেছিল, নতুন চুক্তিকে তারই বিস্তৃত রূপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তিন দেশের সক্ষমতাও একে অপরের পরিপূরক। তুরস্কের রয়েছে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। সৌদি আরবের রয়েছে বিপুল আর্থিক সামর্থ্য। আর পাকিস্তান পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হওয়ায় এর সামরিক সক্ষমতার আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।

ইরান ও ইসরায়েলকে ঠেকানোর কৌশল?

নতুন জোটকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হলো—এটি কি একই সঙ্গে ইরান ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলার একটি দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ?

গাজা যুদ্ধের পর তুরস্ক ও ইসরায়েলের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে সৌদি আরবের উদ্বেগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলার সক্ষমতা দেখিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব নিজের নিরাপত্তা জোরদারে তুরস্ক ও পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়েছে বলে মনে করছেন কিছু বিশ্লেষক। অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী সৌদি আরব মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ঋণ ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে। পাশাপাশি তুরস্কের কাছ থেকে ড্রোনসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জামও সংগ্রহ করছে।

ভৌগোলিক অবস্থানও সৌদি আরবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে আরব উপসাগর, অন্যদিকে লোহিত সাগর—দুই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের মাঝখানে দেশটির অবস্থান। এসব সুবিধা কাজে লাগিয়ে সৌদি নেতৃত্বাধীন একটি নতুন আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন অনেকে।

তবে ন্যাটোর মতো সমন্বিত ও কার্যকর সামরিক ব্যবস্থা তৈরি করতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন। তিন দেশের সামরিক কাঠামো, কৌশলগত অগ্রাধিকার এবং বিদ্যমান আন্তর্জাতিক জোটের সম্পর্কও এক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ।

সৌদিতে হামলা হলে পাকিস্তান-তুরস্ক কী করবে?

চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হবে বাস্তব কোনো সামরিক সংকট দেখা দিলে। জোটের শর্ত অনুযায়ী কোনো সদস্য আক্রান্ত হলে অন্য দুই দেশ কী ধরনের সহায়তা দেবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

কারণ তিন দেশই ভিন্ন ভিন্ন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত। তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী চীনা প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ওপরও ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ফলে একটি অভিন্ন সামরিক কমান্ড বা তাৎক্ষণিক যৌথ অভিযান পরিচালনা করা সহজ হবে না।

অতীত ঘটনাও এ জটিলতার ইঙ্গিত দেয়। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানের সময় পাকিস্তান সেনা ও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দেওয়ার বিষয়ে সহযোগিতা করলেও সরাসরি পূর্ণাঙ্গ সামরিক সমর্থন দেয়নি।

ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘ সীমান্ত থাকায় বিষয়টি আরও জটিল। ইরান থেকে সৌদি আরবে হামলা হলেও পাকিস্তান সরাসরি সৌদি সামরিক অভিযানে অংশ নেয়নি।

এ কারণেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নেতারা জোটটিকে মূলত আক্রমণ প্রতিরোধ ও সম্ভাব্য হামলা নিরুৎসাহিত করার ব্যবস্থা হিসেবে তুলে ধরছেন। তাদের লক্ষ্য, সামরিক শক্তির পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া—মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

ভবিষ্যতে মিসর বা কাতারের মতো দেশও এই কাঠামোয় যুক্ত হতে পারে বলে ধারণা রয়েছে। সেই সম্ভাবনা থেকেই অনেকেই একে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ নামে অভিহিত করছেন।

এর আগেও ‘ইসলামিক ন্যাটো’ গঠনের চেষ্টা

সৌদি আরব এর আগেও মুসলিম দেশগুলোকে নিয়ে একটি সামরিক জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল। বিবিসির নিরাপত্তাবিষয়ক সংবাদদাতা ফ্র্যাঙ্ক গার্ডনারের মতে, ২০১৬ সালে সৌদি উদ্যোগে ৩০টির বেশি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ আন্তঃদেশীয় সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ইসলামিক মিলিটারি কাউন্টার টেরোরিজম কোয়ালিশন গঠনের ঘোষণা দেয়।

পরে বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনী অংশ নিয়ে সৌদি আরবে ‘নর্থ থান্ডার’ নামে বড় সামরিক মহড়াও অনুষ্ঠিত হয়। তখন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বিশ্লেষক ওই উদ্যোগকে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

তবে জোটটি গঠনের পর ন্যাটোর মতো কার্যকর যৌথ সামরিক কাঠামো গড়ে ওঠেনি। ফলে এবারের উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, সেটিও এখন বড় প্রশ্ন।

এবারের জোটের বিশেষত্ব হলো—এতে তিনটি প্রভাবশালী ও সামরিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশ সরাসরি যুক্ত হয়েছে। পাকিস্তান সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকাও পালন করেছে। দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতা এবং সৌদি আরবের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক জোটটিকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে। অন্যদিকে তুরস্কের সেনাবাহিনী ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আকারের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পর অন্যতম বৃহৎ।

তবে মক্কায় স্বাক্ষরিত চুক্তিতে এমন কোনো বাধ্যতামূলক শর্ত আছে কি না, যার ফলে সৌদি আরবে হামলা হলে পাকিস্তান ও তুরস্ককে সরাসরি যুদ্ধে নামতেই হবে—তা স্পষ্ট নয়।

ইতোমধ্যে সৌদি আরব বিভিন্ন সময়ে ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়া ও ইয়েমেনের হুথিদের হামলার লক্ষ্য হয়েছে। তাই বাস্তবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে পাকিস্তান ও তুরস্ক কী পদক্ষেপ নেয়, সেটিই এই জোটের কার্যকারিতার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হতে পারে।

পাকিস্তানের ভারসাম্যের কৌশল

নতুন জোটে পাকিস্তানের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে ইসলামাবাদ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা করছে, অন্যদিকে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরব ও তুরস্কের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তিতে যুক্ত হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘ সীমান্ত এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ইরানের কাছে পাকিস্তানের একটি নির্দিষ্ট গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গেও পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য পাকিস্তানের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দেশটি ওই অঞ্চল থেকে জ্বালানি আমদানি করে এবং মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত পাকিস্তানিদের পাঠানো অর্থও দেশটির অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাই জোটের নেতারা বারবার বলছেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়। পাকিস্তানের জন্য এই অবস্থান একই সঙ্গে কৌশলগত ভারসাম্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা।

তবে আঞ্চলিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হলে ইসলামাবাদকে এই ভারসাম্য ধরে রাখতে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

কেন নজর রাখছে ভারত, চীন ও ইরান?

নতুন জোটের প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এশিয়ার ভারত, চীন ও ইরানও এর গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক সীমান্ত উত্তেজনার মতো পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ওপর হামলা হলে সৌদি আরব বা তুরস্ক কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

একইভাবে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে নতুন করে বড় সংঘাত শুরু হলে সৌদি আরব ও তুরস্ক পাকিস্তানকে কী ধরনের সহায়তা দেবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি সামরিক অভিযান না হলেও পাকিস্তান সৌদি আরব ও তুরস্কের কাছ থেকে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি বা আর্থিক সহায়তা পেলে তা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

ভারতের সঙ্গে ইসরায়েলের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্কের উন্নতিও এই সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করছে। একই সময়ে ভারতও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াচ্ছে।

অন্যদিকে পাকিস্তান চীনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও নজরদারি প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ধরনের সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকে। ফলে নতুন জোটের সঙ্গে বিদ্যমান ভারত-চীন-পাকিস্তান ভূরাজনীতির সম্পর্কও ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

সব মিলিয়ে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের নতুন নিরাপত্তা জোট এখনো পূর্ণাঙ্গ ‘ইসলামিক ন্যাটো’ নয়। এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে জোটের সদস্যরা বাস্তব সামরিক সংকটে একে অপরকে কতটা সহায়তা করে, যৌথ প্রতিরক্ষা কাঠামো কতটা শক্তিশালী করতে পারে এবং নিজেদের ভিন্ন কূটনৈতিক স্বার্থের মধ্যে কতটা সমন্বয় করতে পারে—তার ওপর।

সৌদি আরবের অন্তর্ভুক্তি ইরানের জন্য, তুরস্কের অংশগ্রহণ গ্রিসের জন্য এবং পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত প্রশ্ন তৈরি করছে। ফলে মক্কায় স্বাক্ষরিত এই চুক্তি শুধু তিন দেশের সামরিক সহযোগিতার বিষয় নয়; এটি বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার নিরাপত্তা সমীকরণেও নতুন পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ