ইরান যুদ্ধ ও কূটনীতি—দুই ক্ষেত্রেই বিজয়ী হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, যারা শুরুতে তেহরানের ‘শর্তহীন আত্মসমর্পণ’ দাবি করেছিল, তারাই পরে আলোচনার জন্য ইরানের কাছে অনুরোধ করতে বাধ্য হয়েছে। আরাগচি বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক শক্তি এবং পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থনপুষ্ট একাধিক পক্ষের বিরুদ্ধে […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধ ও কূটনীতি—দুই ক্ষেত্রেই বিজয়ী হয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, যারা শুরুতে তেহরানের ‘শর্তহীন আত্মসমর্পণ’ দাবি করেছিল, তারাই পরে আলোচনার জন্য ইরানের কাছে অনুরোধ করতে বাধ্য হয়েছে।
আরাগচি বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক শক্তি এবং পশ্চিমা বিশ্বের সমর্থনপুষ্ট একাধিক পক্ষের বিরুদ্ধে ইরান দীর্ঘদিন প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। তার দাবি, যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই যারা ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ চেয়েছিল, তারাই পরবর্তী সময়ে আলোচনার জন্য কাকুতি-মিনতি শুরু করে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও দাবি করেন, তেহরান শুরুতে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে লড়াই চালিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষ ইরানের শর্ত মেনে যুদ্ধবিরতি ও আলোচনায় বসতে সম্মত হয় বলে জানান তিনি।
আরাগচির ভাষ্য, সামরিক শক্তি প্রয়োগের পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনাও পরিচালনা করার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি কূটনৈতিক অঙ্গনেও ইরান নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘সাদা পতাকা তোলার’ এবং আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানোর একদিন পর আরাগচি এসব মন্তব্য করলেন।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি