নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ায় নিউইয়র্ক শহরের বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে শত শত নতুন ‘স্লো জোন’ চালু করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা স্কুলে ফিরতেই এসব এলাকায় সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৫ মাইল গতিতে গাড়ি চালানোর নিয়ম কার্যকর হবে। নিউইয়র্ক পরিবহন বিভাগের (ডিওটি) তথ্য অনুযায়ী, ‘স্যামির আইন’-এর আওতায় এটিই সবচেয়ে বড় পরিসরের সম্প্রসারণ। ২০১৩ সালে ব্রুকলিনে নিজের বাড়ির সামনে […]
নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ায় নিউইয়র্ক শহরের বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে শত শত নতুন ‘স্লো জোন’ চালু করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা স্কুলে ফিরতেই এসব এলাকায় সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৫ মাইল গতিতে গাড়ি চালানোর নিয়ম কার্যকর হবে।
নিউইয়র্ক পরিবহন বিভাগের (ডিওটি) তথ্য অনুযায়ী, ‘স্যামির আইন’-এর আওতায় এটিই সবচেয়ে বড় পরিসরের সম্প্রসারণ। ২০১৩ সালে ব্রুকলিনে নিজের বাড়ির সামনে গাড়ির ধাক্কায় ১২ বছর বয়সী স্যামি কোহেন একস্টেইনের মৃত্যুর পর তার নামে এ আইনের নামকরণ করা হয়।
নগর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ নিউইয়র্কের প্রায় ৮০০টি স্কুলের আশপাশে ঘণ্টায় ১৫ মাইল গতির স্লো জোন চালু করা।
শুধু গতিসীমা কমানো নয়, স্কুল এলাকার সড়ক নিরাপদ করতেও নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন উদ্যোগ। ৩০০টির বেশি স্কুলের আশপাশের সড়ক নতুন করে সাজানোর কাজ চলছে। এসব এলাকায় পথচারীদের জন্য বাড়তি জায়গা, নিরাপদে রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা এবং যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করা হবে।
এ ছাড়া ক্লার্কসন স্ট্রিটের একটি স্কুলের সামনে নিউইয়র্কের প্রথম গেটযুক্ত ‘ওপেন স্ট্রিট’ চালুর প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে শহরের ৭৭টি স্কুলের সামনে নির্দিষ্ট সময়ে যান চলাচল বন্ধ রেখে ‘ওপেন স্ট্রিট’ পরিচালনা করা হয়।
এসব সড়ক শিক্ষার্থীদের নামানো-তোলা, বিরতির সময় এবং স্কুলের বাইরে পাঠদানের কাজে ব্যবহার করা হয়।
বৃহস্পতিবার থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ায় স্কুল জোন ও পথচারী পারাপারের এলাকাগুলোতে শিশু, অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যদের চলাচল বাড়বে। এ কারণে চালকদের এসব এলাকায় ধীরগতিতে গাড়ি চালানোর পাশাপাশি বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে নিউইয়র্ক নগর কর্তৃপক্ষ।