সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
২:০৮ অপরাহ্ন, ৮ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন সামরিক ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি: আরাগচি

ইরানে সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ও বিমান ধ্বংসের প্রকৃত সংখ্যা মার্কিন কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৮১টি সামরিক বিমান ধ্বংস হয়েছে। তবে মার্কিন কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) আগের হিসাবের সঙ্গে এই […]

মার্কিন সামরিক ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি: আরাগচি
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইরানে সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ও বিমান ধ্বংসের প্রকৃত সংখ্যা মার্কিন কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৮১টি সামরিক বিমান ধ্বংস হয়েছে। তবে মার্কিন কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) আগের হিসাবের সঙ্গে এই সংখ্যার বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আরাগচি বলেন, চলতি বছরের মে মাসে সিআরএস জানিয়েছিল, ইরানের হামলায় ৪২টি মার্কিন সামরিক বিমান ধ্বংস হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে ৮১টিতে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে আরাগচির দেওয়া এই সর্বশেষ সংখ্যার বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য বা যাচাই তুলে ধরা হয়নি। তিনি মূলত মার্কিন সামরিক ক্ষয়ক্ষতির সরকারি হিসাব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যদি দাবি করা হয় যে দেশটির সামরিক ঘাঁটিগুলো স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে, তাহলে সেসব ঘাঁটি পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না কেন।

আরাগচি বলেন, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম এমনকি মার্কিন কংগ্রেসের একজন সিনেটরকেও এসব সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শনের অনুমতি দিচ্ছে না।

তার দাবি, সামরিক ঘাঁটিগুলোর প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার পার্থক্য রয়েছে বলেই পরিদর্শনের ক্ষেত্রে এমন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।

আরাগচি আরও বলেন, সামরিক ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিয়ে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে ধোঁয়াশার মধ্যে রাখা সম্ভব নয়। তার ভাষ্য, এ বিষয়ে মানুষকে ‘ধোঁয়াশা বা প্রতারণার মাঝে’ চিরকাল রাখা যাবে না।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের ক্ষয়ক্ষতি ও প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে ব্যাপক পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। একদিকে ইরান মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির দাবি করছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এসব দাবির বিষয়ে ভিন্ন অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

আরাগচির বক্তব্যের মূল প্রশ্ন হলো, মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো যদি দাবিকৃত মাত্রায় অক্ষত থাকে, তাহলে সেগুলো সরেজমিনে পরিদর্শনের সুযোগ কেন দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণেই তিনি সামরিক ক্ষয়ক্ষতির সরকারি হিসাবের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ