ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে থাকা সৌদি আরবকে সহায়তা করতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রতি আহ্বান জানাতে পারেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে সৌদি আরবকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। […]
ছবি: সংগৃহীত
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে থাকা সৌদি আরবকে সহায়তা করতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের প্রতি আহ্বান জানাতে পারেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে সৌদি আরবকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ।
স্থানীয় সময় সোমবার (১২ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, হুথিরা ‘বেশ খারাপ আচরণ’ করছে। এ পরিস্থিতিতে তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে সংঘাতে হস্তক্ষেপ করে সৌদি আরবের স্বার্থে সহায়তা করার অনুরোধ জানাতে পারেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি হয়তো এরদোয়ানকে এই দ্বন্দ্বে হস্তক্ষেপ করে সৌদির স্বার্থে সহায়তা করতে বলব। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান, আমি বললে হয়তো সহায়তা করবেন।’
সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে মক্কা চুক্তির আওতায় তুরস্ক ইতিমধ্যে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। হুথিদের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিয়ে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই ইরানকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তাতে রাজি হননি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ।
মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমটি এক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সৌদি আরবকে এ প্রস্তাব দেন নেতানিয়াহু। হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে সৌদিকে সহায়তার পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করাই ছিল এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
তবে ইসরায়েলের সহায়তা গ্রহণ করলে সৌদি আরবের সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হতে পারেন—এমন আশঙ্কায় যুবরাজ সালমান প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেন বলে দাবি করেছেন ওই কূটনৈতিক সূত্র।