সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিশ্ব
২:১৯ পূর্বাহ্ন, ২৯ আগস্ট ২০২৫

ইসরাইলি হামলায় নিহত হুথি প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাভি

ইয়েমেনের রাজধানী সানার একটি অ্যাপার্টমেন্টে ইসরাইলি বিমান হামলায় ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাভি নিহত হয়েছেন বলে আল-জুমহুরিয়া টেলিভিশন শনিবার জানিয়েছে। আদেন আল-গাদ পত্রিকা জানায়, রাহাভির সঙ্গে তার বেশ কয়েকজন সহযোগীও প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ হামলাটি ছিল সানার বাইরে হুথি সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ প্রায় ১০ জন শীর্ষ মন্ত্রীর ওপর চালানো আরেকটি আক্রমণের বাইরে আলাদা অভিযান। […]

ইসরাইলি হামলায় নিহত হুথি প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাভি
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইয়েমেনের রাজধানী সানার একটি অ্যাপার্টমেন্টে ইসরাইলি বিমান হামলায় ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাভি নিহত হয়েছেন বলে আল-জুমহুরিয়া টেলিভিশন শনিবার জানিয়েছে। আদেন আল-গাদ পত্রিকা জানায়, রাহাভির সঙ্গে তার বেশ কয়েকজন সহযোগীও প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ হামলাটি ছিল সানার বাইরে হুথি সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ প্রায় ১০ জন শীর্ষ মন্ত্রীর ওপর চালানো আরেকটি আক্রমণের বাইরে আলাদা অভিযান। ওই বৈঠকে হুথি নেতা আবদুল মালিক আল-হুথির ভাষণ শোনার কথা ছিল।সেই হামলার ফলাফল এখনো পরিষ্কার নয়।

ইসরায়েলি চ্যানেল কান জানায়, রাহাভি এক বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন, তবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাননি। অন্যদিকে এন টুয়েলভের খবরে বলা হয়, তিনি ইরান ও হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং সরাসরি ইসরাইলের বিরুদ্ধে আক্রমণের অনুমোদন দিয়েছিলেন।

আরব গণমাধ্যমগুলো জানায়, সানায় প্রায় ১০ দফা হামলা চালানো হয়েছে। ইয়েমেনি সূত্রের বরাতে কান আরও জানায়, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের ভেতরেও হামলা চালিয়ে হুথি সরকারের কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সেনারা সানায় হুথিদের শাসন ও সামরিক কাঠামোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ ও সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির হামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে অভিযান অনুসরণ করেন।

এ আক্রমণের আগে বৃহস্পতিবার হুথিরা ইসরাইলের দিকে দুটি ড্রোন ছোড়ে, যা আইডিএফ ভূপাতিত করে। এছাড়া রোববার সানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ও বিদ্যুৎকেন্দ্রেও ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়।

কাটজ সতর্ক করে বলেন, ‘অন্ধকারের পর আঘাত আসে প্রথম সন্তানদের ওপর। যে কেউ ইসরাইলের বিরুদ্ধে হাত তুলবে, তার হাত কেটে ফেলা হবে।’

২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে ইয়েমেনের হুথিরা ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে আসছে। তবে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত কোনো হামলায় ইসরাইলে প্রাণহানি ঘটেনি। একইসঙ্গে ইসরাইলি পাল্টা হামলাও এখনো পর্যন্ত হুথিদের হামলা পুরোপুরি থামাতে সক্ষম হয়নি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ