সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৪:৩৬ অপরাহ্ন, ১২ অক্টোবর ২০২৬

ধ্রুব রাঠিকে ‘গৃহবন্দি’ করে রাখার অভিযোগ, বাড়ির বাইরে মোতায়েন ৫০ পুলিশ

ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়ির বাইরে প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। বাইরে বের হলে সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা তাঁকে অনুসরণ করছেন। এমনকি কোনো বিক্ষোভে অংশ নিতে গেলে তাঁকে আটকের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ধ্রুব […]

ধ্রুব রাঠিকে ‘গৃহবন্দি’ করে রাখার অভিযোগ, বাড়ির বাইরে মোতায়েন ৫০ পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়ির বাইরে প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। বাইরে বের হলে সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা তাঁকে অনুসরণ করছেন। এমনকি কোনো বিক্ষোভে অংশ নিতে গেলে তাঁকে আটকের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ধ্রুব রাঠি জানান, সোমবার (১২ অক্টোবর) বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখী পদযাত্রায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

ধ্রুব রাঠি বলেন, তিনি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান। কিন্তু তাঁর বাড়ির বাইরে প্রায় ৫০ জন পুলিশ সদস্য অবস্থান করছেন। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন, পুলিশ তাঁকে অনুসরণ করছে। কোনো বিক্ষোভের কাছে গেলেই তাঁকে আটক করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

তাঁর আরও দাবি, তিন-চারটি গাড়ি নিয়েও পুলিশ তাঁকে অনুসরণ করছে। সম্ভাব্য ভিসা তদন্তের বিষয়টি নাকচ করে তিনি বলেন, তিনি ভারতের নাগরিক। তাই তাঁর ক্ষেত্রে ভিসাসংক্রান্ত কোনো প্রশ্ন নেই।

আগেও আটকের অভিযোগ ধ্রুব রাঠির

এর আগে শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে ধ্রুব রাঠিকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। রোববার প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তায় ওই ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে অভিহিত করেন এই ইউটিউবার।

ভিডিওবার্তায় ধ্রুব রাঠি জানান, শনিবার সকাল ৭টার দিকে তাঁর বাড়ির বাইরে ৫০ জনের বেশি লোক জড়ো হন। তাঁর মা দরজা খুললে সাধারণ পোশাকে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর তাঁরা সরাসরি তাঁর শোবার ঘরে যান। সে সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন।

ধ্রুব রাঠির ভাষ্য অনুযায়ী, ঘুম থেকে ওঠার পর তাঁকে কথা বলা বা কিছু করার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি জুতা পরার সময়টুকুও দেওয়া হয়নি। এ সময় তাঁর মা চিৎকার করছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর নিজের এবং তাঁর বাবা-মায়ের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ধ্রুব রাঠি। পরে তাঁকে এক থানা থেকে অন্য থানায় নেওয়া হয়। থানায় আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলেও সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি তাঁকে ফোন ব্যবহার করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ধ্রুব রাঠি জানান, পুলিশ তাঁকে বারবার আশ্বস্ত করছিল যে এটি কোনো গ্রেপ্তার বা আটক নয় এবং তাঁকে শিগগিরই ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে তাঁর দাবি, দীর্ঘ ২২ থেকে ২৩ ঘণ্টা আটকে রাখার পর তিনি প্রশ্ন তোলেন—এ ধরনের ঘটনাকে ‘অপহরণ’ ছাড়া আর কী বলা যেতে পারে?

তাঁর এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ