প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুত ও সহজে কনস্যুলার সেবা দিতে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের নতুন কল সেন্টার চালু করা হয়েছে। নতুন এই সেবার মাধ্যমে প্রবাসীরা কনস্যুলার বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে পাসপোর্ট, ভিসা, নথিপত্রসহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা সম্পর্কে জানতে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন সেবাগ্রহীতারা। নিউইয়র্ক ও আশপাশের অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য […]
ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুত ও সহজে কনস্যুলার সেবা দিতে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের নতুন কল সেন্টার চালু করা হয়েছে।
নতুন এই সেবার মাধ্যমে প্রবাসীরা কনস্যুলার বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে পাসপোর্ট, ভিসা, নথিপত্রসহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা সম্পর্কে জানতে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন সেবাগ্রহীতারা।
নিউইয়র্ক ও আশপাশের অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে অফিসে সরাসরি যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় তথ্য জানা এবং সংশ্লিষ্ট সেবা সম্পর্কে দিকনির্দেশনা পাওয়া সহজ হবে।
কল সেন্টার পরিচালনায় মেধাবী, উদ্যমী ও প্রযুক্তিসচেতন একদল তরুণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। তারা কনস্যুলার সেবা নিয়ে প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা দেবেন। কল সেন্টারে যোগাযোগের নম্বর ৮৪৪-৮৬১-১৯৭১ এবং ২১২-৫৯৯-৬৭৬৭। শনিবার ও রবিবারসহ সপ্তাহের সাত দিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ সেবা চালু থাকবে। কনস্যুলেটের সরকারি ওয়েবসাইটেও কল সেন্টার চালুর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
কোনো কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ফোনে সংযোগ পাওয়া না গেলে সেবাপ্রত্যাশীরা ভয়েসমেইল রেখে যেতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট এজেন্ট পরে সেই বার্তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা দিতে সরাসরি যোগাযোগ করবেন এবং প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেবেন। এর ফলে ফোনে তাৎক্ষণিকভাবে সংযোগ না পেলেও সেবাপ্রত্যাশীদের প্রশ্ন ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ থাকবে।
কনস্যুলেটের নতুন কল সেন্টার চালুর ফলে জরুরি ও সাধারণ কনস্যুলার বিষয়ে প্রবাসীদের যোগাযোগের সময় কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমিয়ে কনস্যুলার কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশি প্রবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হওয়ায় কনস্যুলার সেবা আরও সহজলভ্য করতে এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।