সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ২৭৯ জন সংসদ সদস্য বিলটির পক্ষে এবং ১১৯ জন বিপক্ষে ভোট দেন। এর ফলে চুক্তিতে তুরস্কের আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবে তুর্কি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের […]
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ২৭৯ জন সংসদ সদস্য বিলটির পক্ষে এবং ১১৯ জন বিপক্ষে ভোট দেন। এর ফলে চুক্তিতে তুরস্কের আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবে তুর্কি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) এবং তাদের জোটসঙ্গীরা বিলটির পক্ষে ভোট দেন। বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্যও এতে সমর্থন জানান।
পার্লামেন্টে পাস হওয়ার পর বিলটি এখন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি এতে স্বাক্ষর করে সরকারি গেজেটে প্রকাশ করলে আইনটি কার্যকর হবে।
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তিন দেশ—সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক—পরস্পরের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, কোনো একটি সদস্যদেশ সশস্ত্র হামলার শিকার হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সে ক্ষেত্রে অন্য সদস্যদেশগুলো আক্রান্ত দেশকে সহযোগিতা করবে।
গত আগস্টে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
তুরস্কের পার্লামেন্টে বিলটি পাসের সময় সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতিও আলোচনায় রয়েছে। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার আশঙ্কার মধ্যে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদারে তুরস্কের সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা সামনে এসেছে।
তবে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, সৌদি আরবে তুর্কি সেনা পাঠানো হলে তা হবে সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ। তুর্কি সেনারা ইয়েমেনে প্রবেশ করে কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না। সৌদি আরবের ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে তাদের দায়িত্ব।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই